সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মোটরসাইকেল এর মাইলেজ বৃদ্ধির জন্য কিছু দরকারী টিপস

মোটরসাইকেল এর মাইলেজ বৃদ্ধির জন্য কিছু দরকারী টিপস বর্তমান সমাজে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস দিতে পারে দু’চাকার মোটরসাইকেল। এই মোটরসাইকেলের জনপ্রিয়তা বহু বছর ধরেই চলে আসছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই যে কোনো জায়গায় যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের উপরে ভরসা করেন। বিশেষ করে এই মাহামারি পরিস্থিতিতে মোটরসাইকেলের প্রাসঙ্গিকতা বেড়েছে। অনেকের মোটরসাইকেলের মাইলেজ নিয়ে অভিযোগ থাকে। আবার অনেকের দাবি এক লিটার পেট্রোলে ৪০ কিলোমিটার পথও অতিক্রম করতে পারে না। তাই জেনে নেয়া যাক মোটরসাইকেলে ভালো  মাইলেজ  পেতে যা করবেন। মাইলেজ বৃদ্ধির জন্য যা করবেন ১. একই গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর চেষ্টা করুন। রাস্তায় চলতে গেলে তো গতি কম-বেশি করতেই হয়। কিন্তু যখন খালি রাস্তায় একাধারে চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই গতিতে চালানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। ২. দুই চাকায় বাতাসের চাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন। এগুলো ব্যবহারবিধিতে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী টায়ারের প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করুন। ৩. চেইনের টান সঠিক ও ঠিকঠাক রাখুন। অর্থাৎ, বেশি ঢিলেঢালা বা টাইট রাখা যাবে না। ৪. ইঞ্জিনকে স্থিতিশীল অবস্থায় রাখতে হবে। নিয়মিত বিরতিতে সার্ভিসিং করতে হবে। মাইলেজ বৃদ্ধির জন্য
সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

জানা অজানা: ‘মিশরের পিরামিড রহস্য ও ইতিহাস’

জানা অজানা: ‘মিশরের পিরামিড রহস্য ও ইতিহাস’ মিশরের পিরামিড রহস্য ও ইতিহাস প্রায় ৪,৫০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। মিশরের পিরামিড কিভাবে তৈরি হয়েছে ? ইজিপ্টের ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে যে সমস্ত তথ্য সামনে আসে। তা থেকে এটাই বলা যায়, মিশরের রহস্যময় পিরামিড হল অজস্র রহস্যয় ভরা। তাই গুনীজনেরা মিশরের পিরামিড রহস্য এবং মিশরের পিরামিডের নির্মাণ কার্য ও কৌশল, বিশ্লেষণ করে পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের বস্তুর তালিকার মধ্যে,অন্যতম বলে মনে করেন। পৃথিবীর আরো ভিন্ন দেশে নানা জায়গায় পিরামিড ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কিন্তু মিশরের গিজা শহরের পাশে নীল নদীর তটদেশে অবস্থিত, গিজার পিরামিড,পৃথিবীর অন্যান্য পিরামিডের থেকে রহস্য রোমাঞ্চের নিরিখে, মিশরের পিরামিড রহস্যর চাদরে মোড়া বলে মনে করা হয়। আসুন আমরা সবাই মিলে মিশরের পিরামিড রহস্য, মিশরের পিরামিডের ইতিহাস ও পিরামিডের কাহিনী নিয়ে একটু খানি জানার চেষ্টা করি। পিরামিড তৈরির ইতিহাস মিশরের রহস্যময় পিরামিডের নির্মাণ ও পিরামিডের ইতিহাস নিয়ে বহু কাহিনী ও কথা প্রচলিত আছে। আগেকার দিনে প্রাচীন মিশরের লোকেরা, মানুষকে কবরস্থ করার জন্য মৃত দেহকে মমিতে পরিণত করত। মৃতদেহকে মমি করার পর,রাখা হত ত্র

এসইও কি? এসইও কেন শিখবেন

এসইও কি? এসইও কেন শিখবেন এসইও কি? এসইও (SEO) এর সম্পূর্ণ অর্থ  সার্চ ইঞ্জিন  অপ্টিমাইজেশন (Search Engine Optimization)। সহজ ভাবে বললে সার্চ ইঞ্জিনে শত শত ওয়েব সাইটের মধ্যে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিএবল বা দেখানোর আসল পদ্ধতিই হলো সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েব সাইটে ট্র্যাফিক নিয়ে আসার পৃথিবীর একমাত্র স্বীকৃত পদ্ধতি। গুগল, বিং বা ইয়াহু এর মতো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনকে অপ্টিমাইজ করে আপনার ওয়েব সাইটে লিগ্যাল ট্র্যাফিক নিয়ে এসে আপনার সাইট বা ব্লগকে জনপ্রিয় করার একমাত্র পদ্ধতিই এই সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। কেন সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বা এসইও প্রয়োজন আপনার যদি একটা ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকে এবং সেখানে যদি কোন ভিজিটর না থাকে তাহলে সেই ওয়েব সাইটের কোন মূল্য আছে? অনেকে বলবেন আমার তো ফেসবুক বা টুইটারে অনেক বন্ধু আছে তাদেরকে দিলেই তো আপনার সাইটে অনেক ভিজিটর বা ট্র্যাফিক চলে আসবে, তাহলে আবার এস,ই,ও (SEO) প্রয়োজন কেন। তাদের বলবো আপনার সোশ্যাল সাইটে বা ফেসবুকে সর্বোচ্চ ৪ থেকে ৫ হাজার বন্ধু থাকুক বা আরও বেশি, কিন্তু তাদের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে কতো ভিজিটর নিয়ে আসবেন। ঐ ১০০-২০০ ভিজিটর কি আপ