সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

2019 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

“স্যার, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন ?”

“স্যার, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন ? এক বিয়ের অনুষ্ঠানে এক যুবক তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দেখতে পেলেন। বহুদিন পর ছোটবেলার শিক্ষককে দেখে যুবক তাঁর কাছে ছুটে গেলেন এবং বললেন, “স্যার, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন ?” শিক্ষক বললেন, ”না, আমি খুব দুঃখিত, তোমাকে চিনতে পারছি না।” Advertise For Free Advertise Your Products and Services Free of Charge! যুবক তখন বললেন, “স্যার,আমি আপনার ছাত্র, আপনার মনে থাকার কথা, থ্রিতে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠীর দামি একটি কলম চুরি হয়েছিল। সেই সহপাঠী কাঁদতে কাঁদতে আপনাকে নালিশ করল। আর আপনি সব ছাত্রকে চোখ বন্ধ করে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বললেন। তারপর একজন একজন করে চেক করতে শুরু করলেন । আমি ভয়ে কাঁপতে লাগলাম। কারণ কলমটি ছিল আমার পকেটে। আমি যে কলমটি চুরি করেছি তা আবিষ্কার হওয়ার পর আমি যে লজ্জার মুখোমুখি হব, আমার শিক্ষকরা আমার সম্পর্কে যে ধারণা পাবেন, স্কুলে সবাই আমাকে ‘চোর’ বলে ডাকবে এবং এটি জানার পর আমার মা-বাবার কী প্রতিক্রিয়া হবে- এই সমস্ত ভাবতে ভাবতে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হল। একসময় আমার পালা এল । আমি অনুভব করলাম আমার পকেট থেকে আপনি কলমটি বের কর

মৃত্যুর পূর্বে সন্তানের প্রতি পিতার উপদেশ

মৃত্যুর পূর্বে সন্তানের প্রতি পিতার উপদেশ মৃত্যুর পূর্বে একজন পিতা তার সন্তানকে কাছে ডেকে বললেন, “এই নাও! এই ঘড়িটা আজ আমি তোমাকে দিলাম। আমাকে দিয়েছিলেন তোমার দাদা। ঘড়িটা দুইশ’ বছর আগের। তবে, এটা নেওয়ার আগে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে।” ছেলেটা বললো, “কী কাজ?” Airports Worldwide Airports around the world Airports, heliports, airfields “এই ঘড়িটা নিয়ে রাস্তার পাশের ঘড়ির দোকানে যাবে। তাদের বলবে যে এই ঘড়ি তুমি বিক্রি করতে চাও।” ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা রাস্তার পাশের একটা ঘড়ির দোকানে বিক্রি করতে নিয়ে গেলো। সে ফিরে এলে তার বাবা বললো, “ঘড়ির দোকানদার কতো টাকা দিতে চাইলো ঘড়িটার বিনিময়ে?” ছেলেটা বললো, “একশো টাকা মাত্র। ঘড়িটা নাকি অনেক পুরাতন, তাই।” বাবা বললেন, “এবার পাশের কফি শপে যাও। তাদেরকে বলো যে তুমি এই ঘড়ি বিক্রি করতে চাও।” ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা নিয়ে পাশের এক কফি শপে গেলো৷ ফিরে এলে তার বাবা জানতে চাইলো, “কী বললো ওরা?” “ওরা তো এটা নিতেই চাইলো না। বললো, ‘এতো পুরোনো, নোংরা ঘড়ি দিয়ে আমাদের কী হবে’?” বাবা হাসলেন। বললেন, ” এবার তুমি এই ঘড়ি নিয়ে জাদুঘরে যাও। তা

How many footsteps should you take a day?

How many footsteps should you take a day? Walking at least 4400 steps daily might  help improve  survival in older women, a JAMA  Internal Medicine study suggests — welcome news for people who do not hit the much-promoted goal of 10000 steps daily. Nearly 17000 older women wore a hip  accelerometer  for 7 days to collect step counts. Participants were then divided into quartiles based on the  median  number of daily steps: 2700, 4400, 5900, and 8400. During roughly 4 years’ follow-up, 3% of the women died. After adjustment for confounders like age, smoking, and comorbid conditions, women in the three higher quartiles of daily steps had significantly lower mortality risks — reductions of 46%, 53%, and 66%, respectively — than those in the  lowest  quartile. Mortality declined with increasing steps until roughly 7500 steps per day, at which point the benefit  levelled  off. The researchers conclude, “These findings may serve as  encouragement  to the many sedentary individuals for whom

তিন মুসাফির ও আটটি রুটির শিক্ষামূলক ঘটনা!

তিন মুসাফির ও আটটি রুটির শিক্ষামূলক ঘটনা! একবার দুই পথিক পথ চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে পড়ল। তাদের ক্ষুধাও লেগেছিল ভীষণ। খাওয়া-দাওয়া করার জন্য দু’জন মিলে একটা সুবিধাজনক জায়গায় গিয়ে বসে পড়লো। এরপর পুটলি থেকে বের করে নিলো যার যার খাবার। একজনের রয়েছে পাঁচটি রুটি। অন্য জনের তিনটি। তারা যখন খাবার খাওয়ার জন্য তৈরি হলো তখন সেখানে এসে হাজির হলো এক মুসাফির। তার বেশভূষা একদম সাদাসিধে। সে বললো,ভাই আমি অভুক্ত। খুব ক্ষুধা লেগেছে। আমার কাছে কোনো খাবার নেই। তোমরা আমাকে কিছু খাবার দাও। পথিক দু’জন মুখ চাওয়া-চাওয়ি করলো। মনে মনে ভাবলো, তারা দু’জন খাবে আর একজন মুসাফির না খেয়ে থাকবে, এ কেমন কথা? তারা মুসাফিরকে তাদের সঙ্গে খেতে বসার অনুরোধ করলো। তিনজন একসঙ্গে খেতে বসলো। একজনের পাঁচ রুটি। অন্যজনের তিন রুটি। মুসাফিরের শূন্য হাত। তবু তারা রুটি বণ্টনে কোনো তারতম্য করলো না। তারা ভাবলো, কারো সঙ্গে খাবার না থাকতে পারে, কিন্তু ক্ষুধা তো আর কম লাগেনি। তাছাড়া এক সঙ্গে খেতে বসে একজন বেশি খাবে আর একজন কম খাবে, তাই বা কেমন করে হয়? তিনজন সমান সমান রুটি খেলো। খাওয়া-দাওয়া শেষ- এবার বিদায়ের পালা। মুসাফির চলে য

একই গাছে পাওয়া যাবে আলু ও টমেটো

একই গাছে পাওয়া যাবে আলু ও টমেটো গাছের উপরে এক ধরনের ফল, মাটির নিচে অন্য ধরনের ফল উৎপাদিত হবে- এমনটি ভেবেছেন কখনো? না ভাবলেও সম্প্রতি এ ধরনের গাছ উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা। আলু গাছে আলুর পাশাপাশি টমেটো ফলানোর মত কঠিন কাজটি করেছেন তারা। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘টমটেটো’ বা ‘পমেটো’। যুক্তরাজ্যের গবেষকরা সম্প্রতি একই গাছে আলু এবং টমেটো উৎপাদন করার ধারণার সফল বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন। এতে আলু ও টমেটোর স্বাদ অক্ষুণ্ন থাকে। এর জন্য তারা গ্রাফটিং বা জোড় কলমের আশ্রয় নিয়েছেন। চেরি টমেটোর সঙ্গে সাদা গোল আলুর জোড় কলম পদ্ধতিতে এগুলো উৎপাদন করা সম্ভব। যেভাবে ফলানো হয়:  আলু এবং টমেটো একই গাছে ফলানোর উপায় হচ্ছে আলু গাছে টমেটোর গ্রাফটিং পদ্ধতি। টমেটো এবং আলু একই ঋতুর ফসল। তাই একই গাছে দুই ফসল উৎপাদনের ফলে সময় যেমন বাঁচে; তেমনি নিশ্চিত করা যায় জমির সর্বোত্তম ব্যবহার। এ জন্য মাটির উর্বরা শক্তি সর্বাধিক হওয়া দরকার। জমিকে সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য এটি দারুণ উপায়। প্রথমে আলু গাছ লাগাতে হবে। সেটিকে পরিণত হতে দিতে হবে। তারপর ফসল উঠানোর সময় সব আলু গাছ মূলসহ না উঠিয়ে কয়েকটি রেখে দিতে হবে। সেগুলোতে

ছাত্র-শিক্ষক জীবন ও কফির কাপের গল্প!

ছাত্র-শিক্ষক জীবন ও কফির কাপের গল্প! ভার্সিটি পাশ করে বেশ কয়েক বছর আগে বেড়িয়ে যাওয়া কিছু ছাত্র ব্যাক্তিগত জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে একদিন তাদের প্রিয় শিক্ষকের বাসায় বেড়াতে এলো। তাদের আলোচনার এক পর্যায়ে সবাই নিজ নিজে পেশাগত জীবনের চাপের কথা তাদের প্রফেসরকে জানালেন। এক সময় সবাইকে অপেক্ষা করতে বলে প্রফেসর তাদের জন্যে কফি বানিয়ে আনতে গেলেন।কিছুক্ষন পর তিনি একটি বড় কেটলিতে করে কফি ও একটা ট্রে তে করে বেশ কিছু ধরনের কাপ নিয়ে ফিরে এলেন।এই কাপগুলোর মধ্যে ছিলো চীনা মাটির কাপ,প্লাস্টিকের কাপ,স্ফটিকের কাপ-যেগুলোর কিছু ছিলো সস্তা আর কিছু ছিলো বেশ দামী ধরনের।প্রফেসর তাদের নিজেদেরকে কাপ নিয়ে কফি ঢেলে নিতে বললেন। যখন তারা সবাই নিজেরা কফি ঢেলে নিলো তখন প্রফেসর তাদের বললেন, ‘তোমরা লক্ষ্য করলে দেখতে সব দামী কাপগুলোই তোমরা নিয়ে নিয়েছো,ট্রে তে শুধু সস্তা আর সাধারন কাপগুলো পরে রয়েছে। এই যে তোমরা সবসময় তোমরা নিজেদের জন্যে সবচেয়ে ভালটা চাও এটাই… তোমাদের জীবনের সমস্যা আর মানসিক চাপের কারন। জেনে রাখো কাপ যত দামীই হোক তা কফির মধ্যে কোনো বাড়তি স্বাদ যোগ করে না। বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা কি খাচ্ছি এটা বরং তাকেই লুকিয়

একটি প্রস্ফুটিত বীজ ও রাজ সিংহাসনের গল্প!

একটি প্রস্ফুটিত বীজ ও রাজ সিংহাসনের গল্প! একদেশের এক রাজা ছিলেন। রাজা একদিন অনুভব করলেন উনি বৃদ্ধ হচ্ছেন। সিংহাসনের জন্য উনার একজন উত্তরসূরি রেখে যেতে হবে। কিন্তু উনার পুত্র-কন্যা আর মন্ত্রিসভার সবাই ভয়ানক দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিল। কার উপর ভরসা করতে না পেরে সিদ্ধান্ত নিলেন জনগন হতেই একজন যোগ্য লোক খুঁজে নিবেন। এরপর কিছু সময় ট্রেনিং দিয়ে রাজ্য চালাবার জন্য উপযুক্ত করে তুলবেন। quiche recipe The Best of quiche recipe পুরো রাজ্য হতে ১৭-১৮ বছর বয়সী হাজারখানেক তরুন-তরুণীকে বাছাই করা হল, এদের মধ্যে রাজার পুত্র-কন্যারাও নিজেদের প্রমান করার সুযোগ পেল । ওদেরকে একদিন ডেকে রাজা সবাইকে একটা করে বীজ দিলেন। বললেন, – এটা খুব স্পেশাল একটা বীজ। এটা তোমরা সবাই রোপন করবে, যত্ন নেবে, পানি দেবে। এক বছর পর যার বৃক্ষ সবচেয়ে সুন্দর হবে, সেই এই রাজ্য শাসন করার জন্য নির্বাচিত হবে। সেই পারবে আমার জনগনের ঠিক ভাবে যত্ন নিতে। সবাই একটা করে বীজ পেল। এদের একজনের নাম ছিল আনিস। আনিস ওর মায়ের সাহায্যে বীজটা রোপণ করল। অনেক যত্ন নেবার পর ও কোন চারা বের হতে না দেখে আনিস খুব হতাশ হয়ে পড়ল। মাসখানেক পরেই নির্বাচিত অনেকে

ডা: স্যামকেইলির সেই বিখ্যাত ঘটনা

ডা: স্যামকেইলির সেই বিখ্যাত ঘটনা একদিন একটা গরীব ছেলে রাস্তায় হাঁটছিলো , সে তার লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করার জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতো , ছেলেটার গায়ে ছিলো একটা জীর্ন মলিন পোষাক । সে ভীষণ ক্ষুধার্থ ছিলো , তাই সে সিদ্ধান্ত নিলোযে চলার পথে সামনে যে বাসা পড়বে,সেখানে গিয়ে সে কিছু খাবার চাইবে । কিন্তু সে যখন একটা বাসায় গেলো খাবারের আশা নিয়ে , সে ঘর থেকে একজন সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন সে খাবারের কথা বলতে ভয় পেলো সে খাবারের কথা না বলে শুধু এক গ্লাস পানি চাইলো . মহিলা ছেলেটার অবস্থা দেখে বুঝলেন যে সে ক্ষুধার্থ . তাই তিনি ছেলেটাকে একটা বড়গ্লাস দুধ এনে দিলেন ..ছেলেটা আস্তে আস্তে দুধটুকু খেয়ে বলল,”আপনাকে আমার কত টাকা দিতে হবে এই দুধের জন্য?” quiche recipes The Best of quiche recipes মহিলা বলল, “তোমাকে কোন কিছুই দিতে হবে না ।” ছেলেটা বলল, “আমার মা আমাকে বলেছেন কখনো করুণার দান না নিতে । তাহলে আমি আপনাকে মনের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি ।” ছেলেটার নাম ছিলো স্যামকেইলি । স্যাম যখন দুধ খেয়ে ঐ বাড়ি থেকে বের হয়ে এলো , তখন সে শারিরিকভাবে কিছুটা শক্তি অনুভব করলো । স্যাম এর ব