সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নিরানন্দের ঈদ! আসছে দিন বড় সংকটের আশংকা

নিরানন্দের ঈদ! আসছে দিন বড় সংকটের আশংকা করোনা  মহামারিতে কত মানুষের চাকরি গিয়েছে গত দুই মাসে? কত হাজার?   ১   এপ্রিল ২০২০ তারিখ থেকে অনেক মানুষ চাকরি হারানোর নোটিশ পেয়েছে। এ নিয়ে কোথাও কোন কথা নেই। প্রয়োজন তো থেমে নেই। গত দু মাসে যারা চাকরি হারিয়েছেন, তারা কারো সাথে সেটি শেয়ার করার মতো অবস্থায়ও নেই। এত দ্রুত সব কিছু ঘটে যাচ্ছে, তৈরি হওয়ার সময় পাওয়া যাচ্ছে না। এবার  ঈদ  কীভাবে কাটবে? মাথায় এক আকাশ চিন্তা। পরিচিত অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। এবং হারানোর আশংকা করছেন। যেহেতু জব মার্কেট নিয়ে কাজ করি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে আলাপ করেছি। অবাক হলাম, তাদের কাছ থেকে আশার কথা কম। পরিস্থিতি খারাপের ইংগিত দিচ্ছেন তারা। জিএম লেভেলের অনেকেই আশংকা করছেন, তাদের চাকরি থাকবে কিনা। আইটি কোম্পানির অনেকেই জানিয়েছেন, কাজ করে যাচ্ছেন, চাকরি রাখছেন, বেতন নিয়ে কথা বলছেন না। আশা করছেন, সংকট কেটে যাবে। সংকট কি সহসাই কাটবে নাকি বাড়বে? পরিবহণ সেক্টর পুরোটাই থমকে আছে। দূরপাল্লার বা শহর এলাকার অন্তত ৮০ লাখের বেশি মানুষের কোন আয় নেই গত দু’মাস যাবত। মালিক সমিতির নামে হাজার কোটি টাকা আয় হচ্ছে, শ্র

কৃষক ও গাধার একটি শিক্ষামূলক গল্প!

কৃষক ও গাধার একটি শিক্ষামূলক গল্প! একদিন এক কৃষকের গাধা অগভীর কুয়ায় পড়লো। কিন্তু কুয়াটার গভীরতা গাধার উচ্চতা থেকে বেশি হওয়াতে অবলা প্রাণীটি উঠে আসতে পারছিল না। গাধার ত্রাহি চিৎকারে কৃষক এবং আশপাশের মানুষ ছুটে আসল। কিন্তু ওরাও বুঝে উঠতে পারল না কী করবে। ঘণ্টা খানেক নানা ভাবে চেষ্টা করার পরও যখন গাধাকে উপরে তুলে আনা গেল না,কৃষক তখন চিন্তা করল, কুয়াটা আগে থেকেই বিপজ্জনক। বেশ কয়েকটি বাচ্চা কুয়াতে পড়ে বারবার আহত হয়েছে। কুয়াটা এমনিতেই ভরাট করতে হবে, তার উপর গাধাটা অনেক বুড়ো এবং দুর্বল হয়ে গেছে। তাই  কৃষক  সিদ্ধান্ত নিল গাধাসহ কুয়াটি ভরাট করে ফেলবে। কৃষক সবাইকে ডাক দিয়ে হেল্প করতে বলল। সবাই হাতে বেলচা এবং কোদাল নিয়ে পাশ থেকে মাটি কেটে কুয়াতে ফেলতে লাগল। কিছু মাটির দলা গিয়ে গাধাটির উপরেও পড়ল। ওদের মাটি ফেলা দেখে গাধাটি বুঝতে পারল কি ঘটতে চলেছে, প্রাণীটি ভয়ে-দুঃখে নিরবে কাঁদতে লাগল। কিছুক্ষণ মাটি ফেলার পরে সবাই হঠাৎ চমকে গেল, কারণ গাধাটি অদ্ভুত একটা কাণ্ড করে বসেছে। সবাই যখন গাধার উপরে মাটি ফেলছে,গাধাটি তখন গা-ঝাড়া দিয়ে মাটি নিচে ফেলে দিচ্ছে এবং এক-পা, এক- পা করে ভরাট হওয়া জায়গাতে অবস্থান নিচ

জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ) একটি শিক্ষামূলক ঘটনা!

জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ) একটি শিক্ষামূলক ঘটনা! একদিন  জুনায়েদ বাগদাদী (রহঃ)  রাতের অন্ধকারে ঘরের এক কোণায় বসে ইবাদত করছিলেন। এমন সময় তিনি খেয়াল করলেন সিঁধ কাটার শব্দ। সিঁধ কেটে ঘরে চোর ঢুকেছে। অন্ধকারে ঘরের কিছুই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না। কিন্তু জুনায়েদ বাগদাদী ঠিকই চোরের কাজকর্ম দেখতে পাচ্ছিলেন। চোর হাতড়িয়ে হাতড়িয়ে সারা ঘর তন্নতন্ন করেও তেমন কিছুই পেল না নেয়ার মতো। তাই নিরাশ হয়ে খালি হাতে ফেরত যাচ্ছিল। হযরত জুনায়েদ সব দেখছিলেন কোণায় বসে। তার মায়া হলো যে, শীতের রাতে এভাবে লোকটি কষ্ট করে ঘরে ঢুকল কিন্তু হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। চোর যখন সিঁধের কাছাকাছি তখন জুনায়েদ বললেন, এই দাঁড়াও। লোকটি চমকে ওঠে পেছনে তাকাল। চোর তাড়াহুড়ো করে পালাতে পারবে না ভেবে দাঁড়িয়ে রইল। জুনায়েদ কাছে এসে বললেন, খালি হাতে ফেরত যাচ্ছ কেন? চোর  বিষ্মিত হলো এবং বলল, নেয়ার মতো কিছুই খুঁজে পাই নি। জুনায়েদ বললেন, তুমি দাঁড়াও। আমি খুঁজে দিচ্ছি। এই বলে তিনি ভেতরে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর মাটির একটা পাত্র এনে বললেন, এটাই নিয়ে যাও। চোর বলল, এটা দিয়ে আমি কি করব? জুনায়েদ বললেন, আমি যা করি তুমি তা-ই করবে। চোর বলল, আপনি কি করেন? জুনায়েদ বল

না ভেঙ্গে নষ্ট ডিম চিনবেন যেভাবে!

না ভেঙ্গে নষ্ট ডিম চিনবেন যেভাবে! ডিম একটি  পুষ্টিকর খাদ্য । একটি ডিমের গড় ওজন ৬০ গ্রাম। ডিম এমন একটি পুষ্টিকর খাদ্য যা সবারই প্রয়োজন রয়েছে। তাই বাসাবাড়িতে ডিম রাখেন সবাই। কিন্তু পোচ কিংবা মামলেট করতে গেলে অনেক সময় দুর্গন্ধ বের হয়। তার মানে ডিমটি পচা। দোকান থেকে ভালো  ডিম  চিনে আনা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। কেননা কোন ডিমটি ভাল আর কোনটি খারাপ তা ডিম না ফাটানোর আগে অনেকে বুঝতেই পারেন না। দোকান থেকে প্রতিটি ডিম ফাটিয়ে দেখে আনাও সম্ভব নয়। তবে ডিম পরীক্ষা করে আনার কি কোন উপায় নাই? অবশ্যই উপায় আছে। ডিম না ফাটিয়েও সহজেই দু-একটা ছোট্ট পরীক্ষা করে বুঝে নেওয়া যায় যে কোন  ডিমটা পচা  আর কোনটা ভাল। এবার জেনে নিন পচা ডিম চেনার পদ্ধতি… কানের কাছে একটি একটি করে ডিম নিয়ে আলতো করে ঝাঁকান। যে ডিমগুলোর থেকে বেশি আওয়াজ আসবে, জানবেন সেগুলো পচা। এর পরও যদি সন্দেহ না কাটে তবে গামলা ভর্তি পানির মধ্যে ডিমগুলো ডুবিয়ে দিন। যদি ডিমগুলো ডুবে থাকে তাহলে বুঝবেন যে সেগুলো ভাল। আর যদি ডিমগুলো ভেসে ওঠে, তো জানবেন সেগুলো পচা। ব্যস, ছোট্ট এই পরীক্ষার মাধ্যমে আগেভাগেই চিনে নিন পচা ডিম। আর বাছাই করা ভাল ডিম দিয়ে অমলেট, সিদ্

পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ি নির্মাণ!

পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ি নির্মাণ! পরিত্যক্ত সব কিছুই সব কিছুই সব সময় ফেলনা হয় না। আর এবার পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে বাড়ি তৈরি করে একথাটি আবারো প্রমাণ করেছেন কুমিল্লার হোমনা পৌরসভার এক বাসিন্দা। পেশায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্য শফিকুল ইসলামের প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে নির্মাণাধীন বাড়িটির ছাদ ঢালাইয়ের কাজ বাকি থাকলেও এরই মধ্যে এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্লাস্টিক বোতলের বাড়িটি এক নজর দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষজন আসছেন। বাড়ির মালিক শফিকুলের কাছে প্লাস্টিক বোতলের বাড়ি তৈরি সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে জানাতে চাচ্ছেন তারা। বাড়ি দেখতে আসা উৎসুক মানুষের জিজ্ঞাসা করা নানান প্রশ্নের উত্তর হাসিমুখেই দিচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্য শফিকুল ইসলাম। সরেজমিনে হোমনা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের লটিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের ডান পাশে ছোট বড় নানা রংয়ের প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে পাঁচ কক্ষ বিশিষ্ট একটি বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কটি দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীরা এক পলক দেখে থেমে যান। বাড়িটির কাছে এগিয়ে গিয়ে ছুঁয়ে দেখেন। পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে এত মজবুত ও দর্শনীয় ডিজাইনের বাড়ি নির্মাণ করা যায়

চাইনিজ যোদ্ধা ও তার স্ত্রীর একটি শিক্ষামূলক ঘটনা!

চাইনিজ যোদ্ধা ও তার স্ত্রীর একটি শিক্ষামূলক ঘটনা! এক  চাইনিজ যোদ্ধা  তার স্ত্রীকে নিয়ে বাসা থেকে বেশ দূরের একটা লেকে ঘুরতে গিয়েছিল। দুজন মিলে প্যাডেল বোটে করে মনের সুখে লেকের স্বচ্ছ জলের সৌন্দর্য অবগাহন করছে। ওরা প্যাডেল বোটে করে মাঝ লেকের দিকে অবস্থান করছে, এমন সময় হঠাৎ করে আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভয়ঙ্কর ঝড় সৃষ্টি হল। স্বামী টি সাহসী ছিল, কিন্তু স্ত্রী ভয় পাচ্ছিল কারণ ঝড়ের তীব্রতা এত বেশি যে ওদের ছোট প্যাডেল বোট যেকোন মূহুর্তে ডুবে যাবে। স্বামীটি খুব শান্ত ভাবে মাথা ঠান্ডা করে বসে রইলো, যেন কিছুই ঘটছে না। স্ত্রী অবাক হয়ে স্বামী কে প্রশ্ন করলো, তোমার কি ভয় লাগছে না? আমরা যেকোনো সময় মারা পড়তে পারি। এটাই আমাদের শেষ মূহুর্ত হতে পারে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আমরা আর কখনোই তীরে ফিরতে পারবনা। যদি অলৌকিক কিছু না ঘটে তাহলে আজ আমাদের বাচার কোনো রাস্তা নেই। স্বামীটি স্মিত হেসে উত্তর দিল যে তার ভয় লাগছে না। স্ত্রী টি এবার রেগে গিয়ে স্বামীর দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিল-তোমার ভয় লাগছে না! তুমি কি পাগল? তুমি পাথর নাকি অন্য কিছু? স্বামী টি হেসে উঠল এবং খাপ থেকে তলোয়ার বের করে স্ত্রীর গলার

হাসপাতালে অসুস্থ বাচ্চাকে নিয়ে হাজির মা বিড়াল!

হাসপাতালে অসুস্থ বাচ্চাকে নিয়ে হাজির মা বিড়াল! হৃদয়কে নাড়া দিয়ে যাওয়ার মত একটি ঘটনা ঘটে গেল তুরস্কের ইস্তাম্বুলের একটি হাসপাতালে। পথের ধারের একটি  মা বিড়াল  তার অসুস্থ শিশুকে নিয়ে হাজির হয়েছে সেখানে। ডাক্তাররাও হতাশ করেননি। চরম পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। ছোট্ট কটন বলের মত সুন্দর আর নরম বিড়ালছানাটিকে তারা তুলে নিয়েছেন কোলে। পরীক্ষা করে দেখেছেন, বিড়ালটির বিশেষ কোন সমস্যা আছে কিনা। সঙ্গে তাদেরকে কিছু দুধ আর খাবার দিয়ে আপ্যায়নও করা হয়। এসব পেয়ে তারাও একটু শান্ত হয়। মা ও ছানা  উভয়েরই স্বাস্থ্য ঠিক আছে বলে জানা গেলেও পরে তাদের পশু ডাক্তারের কাছেও পাঠায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেরভ ওযকান নামের একটি টুইটার একাউন্ট থেকে এই বিড়াল মা ও বিড়ালছানার ছবি পোস্ট করা হয়। এরপর থেকেই ভাইরাল হয়ে পড়ে ঘটনাটি।