সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মজার গল্প: নাছিরুদ্দীন হোজ্জা ও এক দুঃখবিলাসী

মজার গল্প: নাছিরুদ্দীন হোজ্জা ও এক দুঃখবিলাসী একবার নাছিরুদ্দীন হোজ্জা এক লোককে পথের ওপর খুব বিমর্ষ হয়ে বসে থাকতে দেখল। কি হয়েছে জিজ্ঞেস করতেই লোকটি বলল, তার অনেক ধন-সম্পত্তি। খাওয়া- পরা নিয়ে কোনো ভাবনা নেই। কিন্তু তার কিছুই ভালো লাগে না। জীবনের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। ঘর- বাড়ী, স্ত্রী-সন্তান কোনোকিছুই আর তাকে আকর্ষণ করে না। এ অস্থিরতা সইতে না পেরে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে সে। হোজ্জা  মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনলেন। হঠাৎ কিছু না বলেই পাশে রাখা লোকটির কাপড়ের ব্যাগটি নিয়ে দিলেন দৌড় এবং নিমেষেই হাওয়া হয়ে গেলেন। বিস্ময়ের ঘোর কাটতেই লোকটিও পিছু ধাওয়া করল। কিন্তু হোজ্জাকে পায় কে? অনেকদূর যাওয়ার পর রাস্তার ওপর এক জায়গায় ব্যাগটি রেখে গাছের আড়ালে অপেক্ষা করতে লাগলেন হোজ্জা। এদিকে ছুটতে ছুটতে ক্লান্ত, অবসন্ন, উদ্বিগ্ন লোকটি যখন এখানে এসে তার ব্যাগটি খুঁজে পেল, আনন্দে চিৎকার করে সে বলে উঠল, পেয়েছি! পেয়েছি! এইতো আমার ব্যাগ। বহুদিন সে এত খুশি হতে পারেনি। হোজ্জা আড়াল থেকে হেসে বললেন, দুঃখবিলাসীদের এভাবেই শায়েস্তা করতে হয়। শিক্ষা : ‘সম্পদের প্রাচুর্য প্রকৃত প্রাচুর্য নয়। বরং অন্তরের প্রাচুর্যই প্রকৃত প্

বিপদের সময়ে প্রকৃত বন্ধুর নাম ‘আত্মবিশ্বাস’

বিপদের সময়ে প্রকৃত বন্ধুর নাম ‘আত্মবিশ্বাস’ একবার একজন বিজনেস এক্সিকিউটিভ প্রচন্ড অর্থ সংকটে পড়লেন। তিনি দেনার দায়ে ডুবে ছিলেন ও সেটা থেকে মুক্তির কোন উপায়ই খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তার বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল, সাপ্লায়াররা তাদের অর্থ ফেরত চাচ্ছিলো। এরকম সঙ্কটময় মূহূর্তে তিনি একটি পার্কে চুপচাপ বসে ছিলেন। ভাবছিলেন এরকম কোন উপায় বের করা যায় কিনা যাতে তিনি এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তার প্রতিষ্ঠানও রক্ষা পাবে ব্যাঙ্কের হাতে বাজেয়াপ্ত হওয়া থেকে। হঠাৎ করেই একজন বৃদ্ধ লোক সেখানে এসে দাঁড়ালেন। বৃদ্ধঃ আপনাকে চিন্তিত মনে হচ্ছে? কিছু কি হয়েছে? আমাকে কি বলা যাবে?  বিজনেস এক্সিকিউটিভ  তাকে সব খুলে বললেন। সব শুনে বৃদ্ধ বললেন, “আমার বিশ্বাস আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারবো।“ তিনি লোকটিকে তার নাম জিজ্ঞেস করলেন, একটী চেক বের করে তাতে বিজনেস এক্সিকিউটিভের নাম লিখলেন ও স্বাক্ষর করে চেকটি তাকে দিলেন, বললেন, “এই চেকটি রাখুন। ঠিক এই জায়গায় আবার ১ বছর পর আমাদের দেখা হবে। তখন ইচ্ছা করলে আপনি আমার টাকা ফেরত দিতে পারেন।“ এই বলে বৃদ্ধ দ্রুত চলে গেলেন। বিজনেস এক্সিকিউটিভ দেখলেন, তার হাতে ৫ লাখ মার্কিন ডলা

বিখ্যাত মনিষীদের সেরা ৩৫টি উক্তি ও বাণী সমূহ | Motivational Speech Bangla

বিখ্যাত মনিষীদের সেরা ৩৫টি উক্তি ও বাণী সমূহ | Motivational Speech Bangla বিখ্যাত মনিষীদের ও ব্যক্তিদের সেরা উক্তি গুলোর অনেক গুলোই সফলতা নিয়ে। সাফল্য নিয়ে উক্তি ও বাণী তাঁরা দিয়ে গেছেন, কারণ তাঁরা নিজেরা খুব কাছ থেকে সফলতাকে দেখেছেন। নিজেদের জীবনে তাঁরা দেখেছেন কিভাবে সফল হতে হয়। এই  উক্তি ও বানী  সমূহ ( Motivational Speech Bangla ) আপনাকে সফল হওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়ার পাশাপাশি সফল হওয়ার পথ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। সাফল্য নিয়ে সেরা উক্তি সমূহ আমরা খুঁজে নিয়েছি পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ও ক্ষেত্রের বিখ্যাত মনিষীদের জীবনের সেরা সব উক্তি নিয়ে। এই লেখায় বিভিন্ন সফল ব্যক্তিদের ও মনিষীর সাফল্য নিয়ে করা মোট ৩৫টি বাণী স্থান পেয়েছে, যা আপনাকে সফল হতে অনুপ্রাণীত করবে। চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক সাফল্য নিয়ে বিখ্যাত মনিষীদের ও ব্যক্তিদের সেরা ৩৫টি উক্তি। সফলতা নিয়ে বিখ্যাত মানুষদের সেরা ৩৫টি উক্তি ও বাণী : ০১. “সাফল্যের জন্য তোমাকে ৩টি মূল্য দিতে হবে: ভালোবাসা, কঠোর পরিশ্রম, আর স্বপ্নকে বাস্তব হতে দেখার জন্য ব্যর্থতার পরও কাজ করে যাওয়া।” – ফ্র্যাঙ্ক লয়েড (আমেরিকান লেখক ও শিল্পী) ০২. “যার মাঝে সীমাহী

বাগান মালিকের একটি শিক্ষণীয় গল্প

বাগান মালিকের একটি শিক্ষণীয় গল্প ইয়েমেনের কোন এক প্রদেশের একটি বাগানের মালিক ছিলেন একজন আল্লাহভীরু লোক। তিনি নিয়মিত বাগানের ফসলের নির্দিষ্ট একটি অংশ গরিব-মিসকিনগদের মাঝে দান করতেন। তার মৃত্যুর পর তার তিন পুত্র তার সমম্পদের মালিক হলো। তারা ভাবল যে,আমাদের লোকসংখ্যা অনেক। আমাদের পরিবার-পরিজনের তুলনায় বাগানের ফসল ও সম্পদ খুবই সীমিত। সুতরাং গরিব-মিসকিনদের মাঝে ফসলের নির্দিষ্ট একটি অংশ দান করা আমাদের পক্ষে সম্ভব পর নয়; কিন্তু ঐ বাগান মালিকের এক ছেলে এই চিন্তার বিপরীত ছিলেন। তিনি গরিব-মিসকিনের প্রতি ছিলেন তার পিতার মতই সহানুভূতিশীল। সে তার ভাইদেরকে তাদের চিন্তা থেকে ফিরে আসতে বলে। তবে তার কথায় অন্যান্যরা কান দিল না। তারা প্রতিজ্ঞা করল যে,আগামী দিন সকালবেলা আমরা ভিক্ষুকদল আসবার পূর্বেই গিয়ে ফসল কেটে আনবো; কিন্তু এ শপথ ও প্রতিজ্ঞায় আল্লাহর ইচ্ছাকে শমিল করল না। অর্থাৎ,তারা এ কথা বলল না যে,আল্লাহ চাইলে [ইনশাআল্লাহ] আমরা আগামীকাল সকাল বেলা গিয়ে ফসল কেটে আনবো। এভাবে ইনশাআল্লাহ বলে আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা না করা এবং গরিব-মিসকিনদের সম্পদের অংশ না দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের অপরাধে তাদের ঘুমে থাকা অবস্থায় আ

রম্য গল্প: স্বামী-স্ত্রী কে দায়ী?

রম্য গল্প: স্বামী-স্ত্রী কে দায়ী? এক লোক খুব চিন্তিত কারণ তার স্ত্রী ইদানিং কানে কম শুনছে। সে মনে করলো তার স্ত্রীর হয়ত শ্রবণের যন্ত্র দরকার কিন্তু এটা সে তার স্ত্রীকে কিভাবে বলবে ভেবে পাচ্ছিল না। সে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে গেল। ডাক্তার তাকে বলল কত দূরত্বে শুনতে পাচ্ছে কত দূরত্বে পাচ্ছে না এর জন্য একটা পরীক্ষা করতে হবে। ডাক্তার লোকটাকে একটা পদ্ধতি শিখিয়ে দিলেন। পরের দিন লোকটা তার স্ত্রীর শ্রবণশক্তি পরীক্ষার জন্য ৪০ হাত দূর থেকে তার স্ত্রীকে ডেকে বলল- কীগো রাতের খাবারে আজ কী তরকারি? তার  স্ত্রী  রান্নাঘরে রান্নায় ব্যস্ত ছিল কোনো উত্তর এলো না। লোকটা আরও ১০ হাত এগিয়ে গিয়ে বলল- কীগো রাতের খাবারের জন্য আজ কী রাঁধছো? এবারও কোনো সাড়া এল না। লোকটা আরও ১০ হাত এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো- কীগো রাতে খাবারের জন্য কী রাঁধছো? এবারও কোনো শব্দ এলো না। ১০ হাত দূর থেকে ডেকে জিজ্ঞেস করলো তারপরও কোনো সাড়াপেল না। লোকটি এবার একেবারে তার স্ত্রীর পিছনে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো কী গো রাতের জন্য কী তরকারি রাঁধছো? এবার বউ মাথা ঘুরিয়ে রাগতস্বরে বললো এবারসহ ৫ বার বললাম মুরগি রাঁধছি।… শিক্ষা: আমরা অনেক সময় না জেনে অন্

শিক্ষণীয় গল্প: গাধার সাথে তর্ক!

শিক্ষণীয় গল্প: গাধার সাথে তর্ক! একদা বনের মধ্যে একটা গাধা এবং একটি শিয়াল ঝগড়া শুরু করলো !!! গাধা বললো… “ঘাস হলুদ”!!! শিয়াল বললো.. “না, ঘাস সবুজ”!!! না হলুদ… না সবুজ… এভাবে তাদের ঝগড়া চরম আকার ধারন করলো। অবশেষে ক্লান্ত হয়ে তারা বিচারের জন্য বনের রাজা সিংহের কাছে গেলো। সিংহ  সব শুনে শিয়ালকে পুরো একমাস বন্দী রাখার এবং গাধাকে ছেড়ে দেয়ার আদেশ দিলো। শিয়াল- সিংহকে প্রশ্ন করলো…. এটা কি আপনার ন্যায়বিচার? ঘাস কি সবুজ নয়??? সিংহ উত্তর দিলো…. ঘাস অবশ্যই সবুজ.. কিন্তু আমি তোকে বন্দী রাখার আদেশ দিয়েছি কারণ তুই জেনেশুনে গাধার সাথে তর্ক করেছিস…!!! শিক্ষা: আজকাল আমরা অনেকেই অযথা তর্কে জড়িয়ে পড়ি। এমন মানষের সাথে তর্কে লিপ্ত হই, পৃথিবীর সকল প্রমাণ এনে দিলেও তাদের মতের বিপক্ষে গেলে তারা মানবে না। বস্তুবাদী ও নাস্তিকদের স্বভাবও অনেকটাই এমন। কুরআনের শিক্ষা: ‎‏ ‏”রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে (তর্ক করতে) থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।” – সুরা ফুরকান: ৬৩ আল্লাহ আমাদের মেনে চলার তৌফিক দিন। আমিন।।

শিক্ষণীয় গল্প: প্রত্যেক জিনিস তার মূলের দিকে ধাবিত হয়

শিক্ষণীয় গল্প: প্রত্যেক জিনিস তার মূলের দিকে ধাবিত হয় হযরত হাশিম (রহ.) ছিলেন বিখ্যাত আলেম। তার জীবনে ঘটে যাওয়া একটি শিক্ষামূলক ঘটনা- হাশিম (রহ.) বলেন-একবার আমি একা একা সফর করছিলাম। আমার কোনো সঙ্গি ছিল না। পথিমধ্যে ভীষণ ক্ষিদে পেল। খাবার যা নিয়ে এসেছিলাম, আগেই তা শেষ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় মরূভূমিতে একটি তাঁবু নজরে পড়ল। আমি সওয়ারি থেকে নামলাম। তাঁবুর ভিতরে একটি মহিলা বসা ছিল। আমি তাকে বললাম বোন! আমি ভীষণ ক্ষুধার্ত। আমাকে কিছু খেতে দিবে? সে রেগে গিয়ে বলল– আমি কি এখানে মুসাফিরদের জন্য খাবার রান্না করে বসে আছি নাকি? যান, নিজের রাস্তা দেখুন। খাবার-টাবারের কোনো ব্যবস্থা এখানে হবে না। মহিলার কথায় মনে খুব আঘাত পেলাম। আমি তখন এতটা ক্ষুধার্ত ছিলাম যে, ওঠে দাঁড়াতেও পারছিলাম না। তাই বাধ্য হয়ে সেখানেই কিছুক্ষণ বসে রইলাম। খানিক বাদে মহিলার স্বামী এল। আমাকে দেখেই হাসিমুখে বলল- সালাম, স্বাগতম, কে আপনি? আপনার আগমন শুভ হোক। বললাম– – আমি একজন মুসাফির। – খানা খেয়েছেন? – না, খাইনি। – কেন খাননি? – চেয়েছিলাম। পাইনি। এরপর সে স্ত্রীকে ডেকে বলল এ কেমন কথা যে, খানা চাওয়া সত্ত্বেও তুমি মুসাফিরকে খানা দাওনি? – না, দে

শিক্ষণীয় গল্প: বিশ্বাসের পুরুস্কার!

শিক্ষণীয় গল্প: বিশ্বাসের পুরুস্কার! অনেক দিন আগের কথা। পারস্য দেশে এক মজার ঘটনা ঘটেছিল। হামিদ আল নাহিদ নামে এক খাঁটি মুসলমান সে দেশে বাস করতেন। তিনি হঠাৎ করে এক মহা ভাবনাই পড়লেন। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় হয়েছে। নামাজ আদায় করতে হবে। অথচ তার নিজের গাধাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আটা গুলো মিল ঘরেই রয়ে গেছে, এছাড়াও ফসলের ক্ষেতে পানি সেচ দিতে হবে। নামাজ আদায় করতে গেলে গাধাটা তালাশ করা হয় না। তাছাড়া আজকে হাটবার, চোর ডাকাতেরও ভয় আছে। বলা যায় না, গাধাটা চুরি হয়ে যেতে পারে। এদিকে ১টার সময় মিল বন্ধ হয়ে যাবে। পরেরদিন আবার ১০টার আগে মিল খুলবে না। আটা না আনলে ছেলে মেয়ে না খেয়ে থাকবে। আবার ধানের ক্ষেতে পানি সেচ না দিলে ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। সারা বছর খাবে কি? তিনটি কাজ খুবই জরুরি। শেষ পর্যন্ত হামিদ আল নাহিদ সব বাদ দিয়ে  নামাজ  পড়তেই চলে গেলেন। আশ্চর্য! বাড়ি পৌঁছে দেখতে পেলেন ফসলের ক্ষেতে পানি জমে আছে, গাধাটা সুখে জাবর কাটছে এবং বেগম সাহেবা রুটি তৈরি করছেন। হামিদ আল নাহিদ পরম খুশিতে বেগম সাহেবার কাছে সব কটি ঘটনা জানতে চাইলেন। বেগম সাহেবা বললেন, একটা বাঘ গাধাটাকে তাড়া করেছে, যার ভয়ে

এক বালক ও যুহুরির গল্প!

এক বালক ও যুহুরির গল্প! এক স্বর্ণকারের মৃত্যুর পর তার পরিবারটা বেশ সংকটে পড়ে গেল। খাদ্য-বস্ত্রে দেখা দিল চরম অভাব। স্বর্ণকারের বিধবা স্ত্রী তার বড় ছেলেকে একটা হীরের হার দিয়ে বললো– এটা তোর কাকুর দোকানে নিয়ে যা, বলবি যে এটা বেচে কিছু টাকা দিতে। ছেলেটা হারটি নিয়ে কাকুর কাছে গেল। কাকু হারটা ভালো করে  পরীক্ষা  করে বললো- বেটা, তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজার খুবই মন্দা, কয়েকদিন পর বিক্রি করলে ভাল দাম পাওয়া যাবে। কাকু কিছু টাকা ছেলেটিকে দিয়ে বললেন–আপাতত এটা নিয়ে যাও আর কাল থেকে তুমি প্রতিদিন দোকানে আসবে আমি কোন ১দিন ভাল খদ্দোর পেলেই যেন তুমি দৌড়ে হার নিয়ে আসতে পার তাই সারাদিন থাকবে। পরের দিন থেকে ছেলেটা রোজ দোকানে যেতে লাগলো।সময়ের সাথে সাথে সেখানে সোনা-রুপা-হীরে কাজ শিখতে আরম্ভ করলো। ভাল শিক্ষার ফলে অল্প দিনেই খুব নামি জহুরত বনে গেল। দূর দূরান্ত থেকে লোক তার কাছে সোনাদানা বানাতে ও পরীক্ষা করাতে আসত। খুবই প্রসংশীত হচ্ছিল তার কাজ। একদিন ছেলেটির কাকু বললো– তোমার মাকে গিয়ে বলবে যে এখন বাজারের অবস্থা বেশ ভালো, তাই সেই হারটা যেন তোমার হাতে দিয়ে দেন। এখন এটা বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যাবে। ছেলেট

মৃত্যুর পূর্বে সন্তানের প্রতি পিতার উপদেশ

মৃত্যুর পূর্বে সন্তানের প্রতি পিতার উপদেশ মৃত্যুর পূর্বে একজন পিতা তার সন্তানকে কাছে ডেকে বললেন, “এই নাও! এই ঘড়িটা আজ আমি তোমাকে দিলাম। আমাকে দিয়েছিলেন তোমার দাদা। ঘড়িটা দুইশ’ বছর আগের। তবে, এটা নেওয়ার আগে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে।” ছেলেটা বললো, “কী কাজ?” “এই ঘড়িটা নিয়ে রাস্তার পাশের ঘড়ির দোকানে যাবে। তাদের বলবে যে এই ঘড়ি তুমি বিক্রি করতে চাও।” ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা রাস্তার পাশের একটা ঘড়ির দোকানে বিক্রি করতে নিয়ে গেলো। সে ফিরে এলে তার  বাবা  বললো, “ঘড়ির দোকানদার কতো টাকা দিতে চাইলো ঘড়িটার বিনিময়ে?” ছেলেটা বললো, “একশো টাকা মাত্র। ঘড়িটা নাকি অনেক পুরাতন, তাই।” বাবা বললেন, “এবার পাশের কফি শপে যাও। তাদেরকে বলো যে তুমি এই ঘড়ি বিক্রি করতে চাও।” ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা নিয়ে পাশের এক কফি শপে গেলো৷ ফিরে এলে তার বাবা জানতে চাইলো, “কী বললো ওরা?” “ওরা তো এটা নিতেই চাইলো না। বললো, ‘এতো পুরোনো, নোংরা ঘড়ি দিয়ে আমাদের কী হবে’?” বাবা হাসলেন। বললেন, ” এবার তুমি এই ঘড়ি নিয়ে জাদুঘরে যাও। তাদের বলো যে এই ঘড়িটা আজ থেকে দুইশত বছর আগের।” ছেলেটা এবারও তা-ই করলো। সে ঘড়িটা নিয়ে জাদুঘরে গেলো। ফিরে এলে তার বাবা

এক পালোয়ান ও তার উস্তাদের শিক্ষণীয় গল্প

এক পালোয়ান ও তার উস্তাদের শিক্ষণীয় গল্প এক পালোয়ান মল্ল যুদ্ধে খুব পারদর্শিতা অর্জন করেছিলো। মল্ল বিদ্যায় সে তিনশত ষাটটি কৌশল আয়ত্ব করেছিলো। নিত্য নতুন কায়দায় সে কুস্তি লড়তো। কাজেই সে সময়ে কোন কুস্তিগীর তার সাথে মল্ল যুদ্ধে জয় লাভ করতে পারতো না। তার বহু শিষ্য ছিলো। তার মাঝে একজন রুপে- গুনে অস্তাদের প্রিয় পাত্র ছিলো। দূরদর্শী ওস্তাদ তাকে তিনশত উনষাট টি কৌশল শেখান, একটা বিশেষ কৌশল শেখালেন না তাকে। সেই যুবক অল্পদিনে শক্তি সামর্থ্য কলা কৌশলে এমন খ্যাতি অর্জন করতে লাগলো যে, সেই সময়ের কোন পালোয়ান তার সাথে মোকাবেলা করার সাহস পেতনা। যুগের শ্রেষ্ট কুস্তিগীর উপাধী পাওয়ায় তার মনে অহংকার মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো। এমন কি একদিন, বাদশাহর সামনে গল্প দিয়ে বসলো যে, আমার উস্তাদ যার কাছে আমি কুস্তি শিখেছি, শিক্ষা গুরু হিসাবে তিনি আমার চাইতে বড় ও সম্মানের পাত্র হতে পারেন বটে, কিন্তু শক্তি ও কলা কৌশলে আমি তার চাইতে কম না।  বাদশাহর  কাছে কথাটি যুক্তিহীন মনে হল। তখনি তিনি প্রতিযোগিতার আদেশ দিলেন। প্রতিযোগিতার জন্য একটি বিরাট মাঠ নির্বাচন করা হল। উস্তাদ ও ছাত্রের প্রতিযোগিতা দেখার জন্য দেশের বিশিষ