সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শিক্ষণীয় গল্প: ভালো কপাল মন্দ কপাল

শিক্ষণীয় গল্প: ভালো কপাল মন্দ কপাল চীনের এক গ্রামে ছিলেন এক বুড়ো কৃষক। তার ছিল এক চাষের ঘোড়া। একদিন সেই ঘোড়াটি পালিয়ে গেল পাহাড়ি এলাকার গভীরে। দুদর্শা দেখে তার প্রতিবেশী সান্ত্বনা দিয়ে বললেন, ‘কী আর করবে। তোমার কপাল মন্দ!’ কৃষক জবাব দিলেন, ‘কপাল মন্দ না ভালো, তা কেই বা জানে!’ এক সপ্তাহ পর ঘোড়াটি ফিরে এলো। ওর সঙ্গে এলো একপাল বুনো ঘোড়া। বুড়ো কৃষককে এবার অভিবাদন জানিয়ে প্রতিবেশী বললেন, ‘তোমার কপাল আসলেই ভালো।’ কৃষক এবারও জবাব দিলেন, ‘আমার  কপাল  মন্দ না ভালো, তা কেইবা জানে!’ তারপর তার ছেলে বুনো ঘোড়াগুলোর একটিকে বশে আনার চেষ্টা করতে গেল। কিন্তু ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে পা ভাঙল তার। এতে মন্দ কপালের কথাই ভাবল সবাই। কেবল বুড়ো কৃষকেরই ভাবনা ছিল, ‘কপাল মন্দ না ভালো, তা কেই বা জানে!’ এর কয়েক সপ্তাহ পর সেনাবাহিনী এলো গ্রামে। যুদ্ধে যেতে সবল যুবকদের ধরে নিয়ে গেল। কেবল ছেড়ে দিল বুড়ো কৃষকের পা ভাঙা ছেলেটিকে। শিক্ষা: ভালো গুণ যেমন চুরি করা যায় না তেমনি কপালের লিখনও খণ্ডানো যায় না। কার কপালে কী লেখা আছে তা কেউ আগাম বলতেও পারে না।

শিক্ষণীয় গল্প: এক গ্লাস পানি

শিক্ষণীয় গল্প: এক গ্লাস পানি একদিন এক প্রফেসর ক্লাসে এলেন। তার হাতে পানিপূর্ণ কাচের একটি গ্লাস। তিনি সেটি শিক্ষার্থীদের দিকে বাড়িয়ে ধরলেন। হাসিমুখে জানতে চাইলেন, ‘আমার হাতে যে পানিভর্তি গ্লাস দেখছ, এর ওজন কত হতে পারে?’ ‘৫০ গ্রাম, ১০০ গ্রাম কিংবা ১৫০ গ্রাম হতে পারে, স্যার।’ শিক্ষার্থীরা জবাব দিল। ‘আসলে আমিও জানি না এর ওজন কত। কারণ আমি এটি মেপে দেখিনি।’ প্রফেসর বললেন, ‘ওজন যা-ই হোক, সেটি আমার জানার বিষয় নয়। আমার প্রশ্ন হল- আমি যদি এই গ্লাসটি কয়েক মিনিট এভাবে হাতে ধরে রাখি তাহলে কী হবে?’ শিক্ষার্থীরা বলল, ‘তেমন কিছুই হবে না, স্যার।’ ‘ঠিক আছে। কিন্তু আমি যদি গ্লাসটা কয়েক ঘণ্টা এভাবে ধরে রাখি তাহলে কী হবে?’ এবার জানতে চাইলেন প্রফেসর। এক ছাত্র জবাব দিল, ‘আপনার হাতে ব্যথা শুরু হবে।’ ‘ঠিকই বলেছ। এবার যদি আমি এটাকে সারা দিন এভাবে ধরে রাখি তাহলে?’ আবার জানতে চাইলেন  প্রফেসর । আরেকজন বলল, ‘তাহলে আপনার হাত অসাড় হয়ে যেতে পারে। হাতের পেশি কাজ করবে না। আপনি প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।’ একথা শুনে শিক্ষার্থীরা বেশ মজা পেল। হাসলও কেউ কেউ। প্রফেসরও হাসিমুখে

শিক্ষণীয় গল্প: কুকুর আর তার মালিকের খাবার

শিক্ষণীয় গল্প: কুকুর আর তার মালিকের খাবার এক কুকুর রোজ তার মালিকের কাছে খাবার পৌঁছে দিত। খাবারের ঝুড়ি থেকে আসা চমৎকার সব খাবারের গন্ধে সেই কুকুরের খুব লোভ হত খাবারগুলো চেখে দেখার। কিন্তু, নিজেকে সব সময় সামলে নিত সে। বিশ্বস্ততার সাথে নিয়মিত সে তার কাজ করে যেত। কিন্তু একদিন পাড়ার সব কুকুরেরা একসাথে তার পিছু নিল। চোখে তাদের তীব্র আকাঙ্খা, মুখ থেকে  লোভ  ঝরে পড়ছে। সমানে তারা চেষ্টা করতে থাকল ঝুড়ি থেকে খাবার চুরি করে খেয়ে ফেলার। বিশ্বাসী কুকুরটি অনেকক্ষণ তাদের থেকে পালিয়ে পালিয়ে থাকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ধাওয়া করে আসা কুকুরগুলো এক সময় এমন ভাবে তাকে ঘিরে ধরল যে সে দাঁড়িয়ে পড়ল। কুকুরগুলোর সাথে তর্ক করে সে তাদের বোঝাতে চাইল যে তারা কাজটা ঠিক করছে না। চোর কুকুরগুলো ঠিক এটাই চাইছিল। তারা এমনভাবে তাকে বিদ্রূপ করতে রইল যে একসময় সে রাজী হয়ে গেল। “ঠিক আছে, তাই হোক,” বলল সে, “তবে, ভাগাভাগিটা কিন্তু, আমি নিজে ঠিক করব।” এই বলে মাংসের সবচেয়ে ভালো টুকরোটা সে নিজের জন্য তুলে নিল আর বাকিটা ঐ কুকুরগুলোকে দিয়ে দিল। শিক্ষা: সম্পদের অংশীদার না করে চিরকাল কাউকে দিয়ে সেই সম্পদের ভার বওয়ান য

পৌরাণিক গল্প: দ্য টেমপেস্ট

পৌরাণিক গল্প: দ্য টেমপেস্ট উইলিয়াম শেকসপিয়র সমুদ্রের বুকে কোনও এক দ্বীপে বাস করতেন দুটি মানুষ – প্রসপেরো নামে এক বৃদ্ধ আর মিরান্দা নামে তাঁর পরমাসুন্দরী যুবতী কন্যা। মিরান্দা খুব অল্প বয়সে এই দ্বীপে এসেছিল। তাই বাবার মুখ ছাড়া আর কোনো মানুষের মুখ তার মনে পড়ত না। তাঁরা বাস করতেন একটা পাথুরে গুহায়। এই গুহায় বেশ কয়েকটি খুপরি ছিল। তার মধ্যে একটি ছিল প্রসপেরোর পড়ার ঘর। এই ঘরেই তিনি রাখতেন তাঁর বইপত্তর। সে যুগে শিক্ষিত লোকমাত্রই জাদুবিদ্যার প্রতি আকৃষ্ট হতেন। প্রসপেরোও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। তাই তাঁর সংগ্রহের অধিকাংশ বইই ছিল জাদুবিদ্যা-সংক্রান্ত। জাদু জানতেন বলে তাঁর সুবিধাও হয়েছিল কত। ভাগ্যের বিড়ম্বনায় এই যে দ্বীপটিতে এসে তাঁকে বাসা বাঁধতে হয়েছিল, এই দ্বীপটি আগে ছিল সাইকোরাক্স নামে এক ডাইনির দখলে। সে সময়ে কিছু ভাল অশরীরীর দল তার অন্যায় আদেশগুলি পালন করতে না চাইলে  ডাইনি  তাদের গাছের কোটরে বন্দী করে রাখে। সাইকোরাক্স মারা যাওয়ার কিছুকাল পরে এই দ্বীপে এসে হাজির হন প্রসপেরো। তিনি নিজের জাদুবলে সেই সব অশরীরীদের মুক্তি দেন। কৃতজ্ঞতার বশে ওই অশরীরীর দলও তাঁর বশংবদে পরিণত হয়। এদের

নীতি কথা: ‘রিজিক নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি’

নীতি কথা: ‘রিজিক নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি’ রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা, পয়সা, অর্থ, সম্পদ। সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা। সর্বোত্তম স্তরঃ পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান। পরিপূর্ণ স্তরঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি। রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি। আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার  জীবনসঙ্গী  হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটা লিখিত। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না, একটিও বেশি না। ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তায়ালা নিয়েছেন। আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত আমার। যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবো, হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই… নাথিং মোর, নাথিং লেস! আমি যেই ফলটি আজকে ঢাকা বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত

শিক্ষণীয় গল্প: ‘কষ্টের মূল্য’

শিক্ষণীয় গল্প: ‘কষ্টের মূল্য’ এক চালাক ব্যক্তি কয়েকজন লোকের উদ্দেশ্যে একটি মজার জোকস বললেন। এটি শুনে সবাই পাগলের মতো হাসতে লাগলো। কিছুক্ষন পর লোকটি সবার উদ্দেশ্যে আবার সেই একই জোকসটি বললেন। এবারও তাদের মধ্যে কয়েকজন লোক হাসলেন ও বাকীদের আর হাসি আসলো না। এরপর সেই চালাক ব্যক্তি একই জোকস বার বার বলতে লাগলেন। শেষে এমন অবস্থা হলো সে বার বার একই  জোকস  শুনে হাসার মতো আর কেউ থাকলো না। এবার তিনি মুচকি হাসলেন এবং সবার উদ্দেশ্যে বললেন, দেখো। তোমরা একই জোকস শুনে বার বার হাসতে পারো না। তাহলে কেন তোমরা জীবনে পাওয়া কোন একটা কষ্টের জন্যে দিনের পর দিন কাঁদতে থাকো?

বিরক্তিকর এসএমএস বন্ধের সচেতনতায় বিটিআরসি

বিরক্তিকর এসএমএস বন্ধের সচেতনতায় বিটিআরসি মোবাইলে অনাকাঙ্খিত বিভিন্ন প্রমোশনাল এসএমএস বন্ধে গ্রাহকদের সচেতন করছে বিটিআরসি। প্রমোশনাল এসব এসএমএসে বিরক্ত হলে তা বন্ধ করার উপায় চালু আছে আগে হতেই । তবে প্রচার-প্রচারণা ও সচেতনতার অভাবে সেবাটি সম্পর্কে অনেকেই সেভাবে জানেন না এবং অনাকাঙ্খিত এসএমএসে ভোগান্তি পান। গ্রাহকরা বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসিতে বিস্তর অভিযোগও করে থাকেন। বিটিআরসি বেশ কয়েক বছর আগেই গ্রাহকের জন্য এসব  এসএমএস  বন্ধের অপশন রাখতে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে এবং অপারেটরগুলো তা রেখেছেও। তবে এসব বন্ধের ‘ডু নট ডিস্টার্ব বা ডিএনডি’ সেবাটি যেন গ্রাহকরা নেন সেজন্য সচেতনতা তৈরি করতে প্রচারণা শুরু করেছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি। শনিবার এ সেবা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে গণমাধ্যমে তা প্রচারের কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। বিটিআরসি বলছে, মোবাইল অপারেটরদের নিত্যনতুন সেবা সম্পর্কে জানতে প্রমোশনাল এসএমএস বা ক্যাম্পেইন সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তারপরও ক্ষেত্রবিশেষে গ্রাহকের কাছে এসব বিরক্তিকর বলে প্রতীয়মান হয়। তাই গ্রাহকরা যেন এসব বন্ধ করতে ‘ডু নট ডিস্টার্ব ’ সেবাটি নেন। প্রমোশনাল এসএমএস না পেত

একটা ছেলে একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসতো অতঃপর…

একটা ছেলে একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসতো অতঃপর… একটা ছেলে একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসতো, মেয়েটা খুব সুন্দরী ছিল না কিন্তু ঐ ছেলেটির জন্য মেয়েটিই ছিল সব। ছেলেটি স্বপ্ন দেখতো মেয়েটির সাথে তার বাকি জীবন কাটানোর। তার বন্ধুরা একদিন তাকে বললো, “তুমি যে মেয়েটিকে এত  ভালোবাসো , কখনো কি তাকে বলেছ? মেয়েটি তো জানেও না যে তুমি তাকে নিয়ে এত স্বপ্ন দেখ। প্রথমে তাকে সবকিছু বল, তারপর তার কাছ থেকে শুন যে সেও তোমাকে ভালবাসে কিনা”। ছেলেটি ঠিক করলো, সে মেয়েটিকে তার ভালবাসার কথা জানাবে। মেয়েটি শুরু থেকেই জানতো যে ছেলেটি তাকে ভালবাসে। যখন ছেলেটি মেয়েটিকে প্রপোজ করল, তখন মেয়েটি না করে দিল। ছেলেটির বন্ধুরা ভাবলো ছেলেটি এবার হয়তো ড্রাগ, অ্যালকোহল নেয়া শুরু করবে এবং নিজের জীবনটাকে ধ্বংস করবে। কিন্তু তারা অবাক হল যখন ছেলেটি এসবের কিছুই করল না। ছেলেটি বললো, “আমার কেন খারাপ লাগবে? আমি এমন একজনকে হারিয়েছি যে কখনোই আমাকে ভালবাসেনি আর সে এমন একজনকে হারিয়েছে যে সত্যিই তাকে অনেক ভালবাসতো”।