সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মে, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

শিক্ষণীয় গল্প: মায়ের ভালোবাসার তুলনা হয় না

শিক্ষণীয় গল্প: মায়ের ভালোবাসার তুলনা হয় না নতুন শশুর বাড়িতে বেড়ানোর পরে বাড়ি ফিরলো ছেলে। মা ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা শশুড় বাড়ির লোক জন কেমন লাগলো ? ছেলেঃ ভালো মা। মাঃ তোমার শাশুড়ী কেমন আদর যত্ন করলো ? ছেলেঃ সেটা বললে তো তুমি আবার রাগ করবা। মাঃ না রাগ করবোনা, বল। ছেলেঃ আমার শাশুড়ী তোমার থেকেও অনেক বেশি ভালোবাসেন আমায়। তুমিতো একটা মুরগী রাধলে আমাকে ছোট একটা টুকরো দেও! আমার শাশুড়ী আমাকে আস্ত একটা মুরগী দেয়, কতো রকম পিঠা, খেতে বসলে পাশে বসে বাতাস করেন। এক কথায় তোমার থেকে অনেক গুন বেশি ভালোবাসে আমাকে! আসার সময় তো আসতে দিতেই চাননি। বললেন আর কটা দিন থেকে যাও। তবুও জোর করে চলে আসলাম। দুর দেখা যায় পথের দিগে তাকিয়ে ছিলেন। মা মনে কষ্ট পেলেও মুখে হাসি রেখে বললেন, বাবা তোমার শাশুড়ীর মতো অতো ভালোবাসতে আমি শিখিনি। বাবা আমার একটা কথা রাখবি? ছেলেঃ বলো মা রাখবো। মাঃ এখন তুই আবার তোর শশুড় বাড়ি চলে যা। ঠিক ছয় মাস পরে বাড়ি ফিরবি। এক দিন আগেও আসবিনা। ছেলে এইটা তো খুব ভালো সুযোগ। আমার  শাশুড়ী  আমায় যতো ভালোবাসে তাতে ছয় মাস কেন ছয় বছর বেড়ালেও বেড়ানোর মজা শেষ হবেনা। মা বললেন ঠিক আছে বাবা তাহলে তুমি যাও। ছেলে

আমরা যখন রেগে যাই তখন চিৎকার করি কেন?

আমরা যখন রেগে যাই তখন চিৎকার করি কেন? একদিন এক শিক্ষক তার ছাত্রদের প্রশ্ন করলেন- “তোমরা কি বলতে পারো, আমরা যখন অনেক বেশি রেগে যাই, তখন চিৎকার করি কেন?” সবাই বেশ কিছুক্ষণ চিন্তা করার পর একজন ছাত্র উত্তর দিলো- ” কারণ রেগে গেলে আমরা নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাই তাই একটা পর্যায়ে চিৎকার করে ফেলি।” “কিন্তু আমরা যার উপর রাগ করি সেই মানুষটি তো আমাদের সামনেই থাকে তবুও কেন আমাদের কে চেঁচিয়ে তার সাথে কথা বলতে হবে? নরম স্বরে, আস্তে কথা বললেও তো সে শুনতে পাবে। তাই না?” ছাত্ররা অনেক চিন্তা করেও শিক্ষকের এই প্রশ্নের কোন সঠিক উত্তর খুঁজে পেলো না। তখন  শিক্ষক  ব্যাখা করলেন- “দুটো মানুষ যখন একে অপরের উপর রেগে যায় তখন তারা একে অন্যের অন্তর থেকে দূরে সরে যায়। এই রাগ তাদের অন্তরের মাঝেও দুরত্ব সৃষ্টি করে। সেই দুরত্ব একটু একটু করে যত বাড়তে থাকে ততই তাদের রাগ বা ক্রোধ বেড়ে যায় এবং তখন তাদেরকে আরও চিৎকার করতে হয়, আরও জোরে তর্ক করতে হয়।” “আবার যদি আমরা ভেবে দেখি, দুজন মানুষ যখন একে অন্যের প্রেমে পড়ে বা ভালোবাসে তখন কী হয়? তখন ভালোবাসার বন্ধনে থাকা মানুষ দুজন একে অন্যের সাথে * ধীরে ধীরে * নরম স্বরে, * আবেগ নিয়ে কথ

ভালোবাসা না খুঁজে সবাইকে ভালোবাসুন

ভালোবাসা না খুঁজে সবাইকে ভালোবাসুন একজন বুদ্ধিমান শিক্ষিকা একবার তার স্কুলে অনেকগুলো বেলুন এনেছিলেন, তার ছাত্র ছাত্রীদের তিনি সেসব বেলুনে নিজেদের নাম লিখে তা ওপরে নিক্ষেপ করতে বললেন। বাচ্চারা হলের মধ্যে তাদের বেলুনগুলি ছুঁড়ে ফেলার পরে,  শিক্ষিকা  সমস্ত বেলুন এলোমেলো করে মিশ্রিত করে হলের মাঝে ফেলে রাখলেন। বাচ্চাদের তাদের নাম সহ বেলুনটি খুঁজে পেতে পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা নিখুঁতভাবে অনুসন্ধান করলেও তাদের নিজস্ব বেলুনটি কেউ খুঁজে পায়নি। তারপরে শিক্ষিকা তাদের বলেছিলেন যে বেলুনটি তাদের নিকটতম সেটিই হাতে নিতে এবং যার নাম সেখানে লিখা রয়েছে তার কাছে এটি দিতে। দুই মিনিটেরও কম সময়ে, প্রত্যেকেই নিজের নামের বেলুনটি হাতে পেয়ে গেল। শিক্ষিকা শিশুদের বললেন, “এই বেলুনগুলি সুখের মতো। যখন আমরা কেবল আমাদের নিজস্ব সুখ অনুসন্ধান করি তখন আমরা এটি খুঁজে পাই না। তবে আমরা যদি অন্য কারও সুখের বিষয়ে চিন্তা করি … এটি শেষ পর্যন্ত আমাদের নিজের সুখটাই আবিষ্কার করতে সহায়তা করবে।” ভালোবাসা না খুঁজে সবাইকে ভালোবাসুন। সবার জন্য ভাল করার চেষ্টা করুন। আপনার ভালোটা নিজেই আপনাকে খুঁজে নেবে।

হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর ছােটবেলার ঘটনা

হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর ছােটবেলার ঘটনা বড় পীর হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) এর ছােটবেলার ঘটনা। একদা তিনি এক কাফেলার সাথে বাগদাদ গমন করছিলেন। পথিমধ্যে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার কারণে তারা এক জায়গায় রাত্রি যাপনের সিদ্ধান্ত নিল। রাত্রি যাপনের আয়ােজনে সকলেই ব্যস্ত। এমন সময় একদল ডাকাত এসে তাদের উপর হামলা চালিয়ে সব মালামাল লুণ্ঠন করে নিল। ডাকাত দলের লুণ্ঠন যখন শেষ হলাে, তখন একজন ডাকাত, বালক আব্দুল কাদেরকে লক্ষ্য করে বললাে, এই ছেলে! তােমার নিকট কিছু আছে কি? বালক আব্দুল কাদের অকুণ্ঠচিত্তে জবাব দিলেন, হ্যাঁ, আছে। জবাব শুনে ডাকাত মনে করল, ছেলেটি হয়তাে আমার সাথে ঠাট্টা করছে। কারণ তার নিকট কিছু থাকলে তাে দেখাই যেত। তাই সে আবার বললাে, তােমার নিকট কি আছে এবং তা কোথায় আছে বলাে? তিনি বললেন, আমার নিকট ৪০ টি স্বর্ণমুদ্রা আছে এবং তা আমার সাথেই আছে। ডাকাতটি অনেক খোঁজাখোঁজির পরও তার নিকট কোন স্বর্ণমুদ্রা না পেয়ে ধমকের স্বরে বললাে, তুমি কি আমার সাথে উপহাস করছাে? উত্তরে তিনি বললেন, আমি সত্যি কথাই বলেছি। ইতিমধ্যে  ডাকাত  দলের সর্দার উপস্থিত হয়ে বললাে, আচ্ছা, তােমার স্বর্ণমুদ্রাগুলাে কোথায় রেখে

শিক্ষণীয় ঘটনা: স্বামীর আদেশ মানার আশ্চর্য ফল

শিক্ষণীয় ঘটনা: স্বামীর আদেশ মানার আশ্চর্য ফল হযরত আনাছ (রাঃ) বর্ণনা করেন, একদা জনৈক সাহাবী জিহাদে যাওয়ার সময় স্ত্রীকে একথা বলে গিয়েছেন যে, “তুমি সর্বদা ঘরের দু’তলাতেই অবস্থান করবে। কখনাে নীচ তলায় নামবে না।” নীচ তলায় স্ত্রীর পিতা বসবাস করতাে। একদা তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। তখন উক্ত মহিলা হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করলেন এবং আপন পিতার সেবা-যত্ন করার জন্য অনুমতি  প্রার্থনা  করলেন। কিন্তু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে অনুমতি দিলেন না। তিনি বললেন“হে মহিলা! আল্লাহকে ভয় কর এবং স্বামীর নির্দেশ মেনে চল।” অনুমতি না পেয়ে উক্ত মহিলা স্বামীর নির্দেশ মত দু’তলাতেই অবস্থান। করতে থাকলেন। এ ঘটনার কয়েক দিন পর তাঁর পিতা পরজগতে পাড়ি জমালেন। তখন শােক প্রকাশ করার জন্য আবারও তিনি নীচ তলায় যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। কিন্তু এবারও রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বামীর নির্দেশের প্রতি গুরুত্বারােপ করতে যেয়ে উক্ত মহিলাকে নীচে নামতে বারণ করলেন। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং উক্ত মহিলার বাসভবনে উপস্থিত হলেন এবং তাঁর পিতার কাফন দাফন স

শিক্ষণীয় গল্প: ভালো কাজ উপহার হিসেবে ফিরে আসে

শিক্ষণীয় গল্প: ভালো কাজ উপহার হিসেবে ফিরে আসে একদিন একটা লোক কাজ শেষে পাহাড়ি এক রাস্তা দিয়ে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ দেখতে পেলেন একটা বয়স্ক ভদ্রমহিলা তার বন্ধ হয়ে যাওয়া লাল রঙের একটি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সাহায্য চাইছে, তার পাশ দিয়ে একটার পর একটা গাড়ি বেরিয়ে গেলেও কেউ তাকে সাহায্যের জন্য দাঁড়াচ্ছে না। তখন লোকটি সাইকেল থেকে নেমে ভদ্রমহিলার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন, আর বললেন আমি কি আপনাকে কোন সাহায্য করতে পারি? কারখানায় কাজের দরুন লোকটির ময়লা পোশাক, উস্কোখুস্কো চুল দেখে  ভদ্রমহিলা  ঠিক আশ্বস্ত হতে পারলে না। ভদ্রমহিলার চোখে-মুখে অস্বস্তির ছাপ দেখে লোকটি বুঝতে পারলেন তার মনের ভিতরে কি চলছে? তাই আবার ভদ্রমহিলাকে বললেন, আমি আপনাকে সাহায্য করতেই এসেছিলাম। বাইরে ভীষণ ঠান্ডা আপনি গাড়ির ভেতরে বসে অপেক্ষা করুন। আমি বাকিটা সামলে নিচ্ছি। ওই বয়স্ক মহিলার পক্ষে সরানো অসম্ভব একটা কাজ। এরপর লোকটি অনেক পরিশ্রম করে টায়ারটি সারাতে সক্ষম হয়। ইতিমধ্যে ভদ্রমহিলা টের পেলেন লোকটি ভালো একজন মানুষ। বুঝতে পারলেন, তিনি যদি না থাকতো তবে পাহাড়ি এই অন্ধকার রাস্তায় তিনি হয়তো বড় কোনো বিপদের স

একজন ডাক্তারের নিঃশব্দ হৃদয়ের গল্প

একজন ডাক্তারের নিঃশব্দ হৃদয়ের গল্প একটি জরুরী সার্জারির জন্য তাড়াহুড়ো করে এক ডাক্তারকে হাসপাতালে ডেকে পাঠানো হল। সে তড়িৎ গতিতে হাসপাতালে পৌঁছে গেলো। হাসপাতালে ঢুকেই সে নিজেকে দ্রুত প্রস্তুত করে নিল সার্জারির জন্য। এরপর সার্জারির ব্লক এ গিয়ে সে দেখল রোগীর (একটি ছোট্ট ছেলে) বাবা ওখানে পায়চারি করছে ডাক্তারের অপেক্ষায়, ডাক্তার কে দেখা মাত্র লোকটি চেঁচিয়ে উঠল-“আপনার আসতে এত দেরি লাগে? দায়িত্ববোধ বলতে কিছু আছে আপনার? আপনি জানেন আমার ছেলে এখানে কতটা শোচনীয় অবস্থায় আছে?”। ডাক্তার ছোট্ট একটা মুচকি হাসি হেসে বলল-“আমি দুঃখিত, আমি হাসপাতালে ছিলাম না, বাসা থেকে তাড়াহুড়ো করে এলাম, তাই খানিক দেরি হল, এখন আপনি যদি একটু শান্ত হন, তবে আমি আমার কাজটা শুরু করি?” লোকটি এবার যেন আরও রেগে গেলো, ঝাঁঝাঁলো স্বরে বলল- “ঠাণ্ডা হব? আপনার সন্তান যদি আজ এখানে থাকতো? আপনার সন্তান যদি জীবন মৃত্যুর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতো, তবে আপনি কি করতেন? শান্ত হয়ে বসে থাকতেন?” ডাক্তার আবার হাসলেন আর বললেন -“ডাক্তার কাউকে দীর্ঘ জীবন দান করতে পারেন না… আপনি আপনার সন্তান এর জন্য প্রার্থনা করতে থাকুন আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ

জীবন বাঁচানো সেই মানুষটির ঘরে প্রতিদিন আসছে টিয়া পাখিটি!

জীবন বাঁচানো সেই মানুষটির ঘরে প্রতিদিন আসছে টিয়া পাখিটি! আহত অবস্থায় বাড়ির ছাদে এসে পড়েছিল এক টিয়া পাখি। সেই পাখিটিকে ওষুধ খাইয়ে সারিয়ে তোলেন বাড়ির মালিক। সেরে ওঠার পর যেন সেই বাড়িরই সদস্য হয়ে গেছে টিয়া পাখিটি। ভারতের হাওড়ার বেলুড়ে ঘটনাটি ঘটেছে। মণ্ডলপাড়ার দত্ত পরিবারের গোটা বাড়িটিকেই এখন মাতিয়ে রেখেছে ওই টিয়া পাখি। আগস্টের শেষের দিকের ঘটনা। বাড়ির ছাদে এসে পড়ে আহত টিয়াটি। ডানায় আঘাত লাগায় উড়তে পারছিল না সে। সে সময় দত্ত পরিবারের সাথী দত্ত পাখিটিকে দেখতে পান। পাখির ডানায় ওষুধ লাগিয়ে  সেবা-শুশ্রূষা  করতে থাকেন তিনি। দিন দুয়েক পরে পাখিটি সুস্থ হয়ে উড়ে যায়। কিন্তু তার পরই শুরু হয় তার কীর্তি! প্রতিদিন সে ওই বাড়িতে উড়ে আসে। দিনে তিন বার করে তার যাতায়াত।বাড়ির সদস্যের মতোই সব ঘরে ঘুরে বেড়ায়। বরবটি, মরিচ, বিস্কুট, ছোলা সবই খেতে দিলে খায়। আবার খাবার না দিলে রাগ দেখিয়ে চিৎকারও জুড়ে দেয়। বাড়ির লোকেরা টিয়া পাখিটির নাম রেখেছেন মিঠু। তারা বলছেন, মাঝে যদি পাখিটি কোনোদিন না আসে, তখন বেশ মন খারাপ হয়। তারা চান এই নতুন অতিথি প্রতিদিন তাদের বাড়িতে আসুক। আহত অবস্থায় বাড়ির ছাদে এসে পড়েছিল এক টি