সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জীবনে সফলতা লাভের ১০টি উপায়

জীবনে সফলতা লাভের ১০টি উপায় স্কুলে আপনার সঙ্গেই এক ক্লাসে পড়তো ছেলেটা। বরং পড়াশোনায়, রেজাল্টে আপনার থেকে বেশ কিছুটা পিছিয়েই ছিল। অথচ আজ সে চড়ে ফেলেছে সাফল্যের সিঁড়ি। আর আপনি এখনও অভিযোগ, অসন্তোষে দিন কাটাচ্ছেন। কেন এমনটা হল বলুন তো? আপনার মতে ভাগ্য আপনার ওপর প্রসন্ন নন। সত্যিই কি তাই? নাকি আপনাকে পিছনে ফেলে দিয়েছে নিজেরই কিছু অভ্যাস,  দৃষ্টিভঙ্গি । সাকসেস ইজ নাথিং বাট অ্যান অ্যাটিটিউড। কথাটা শুনেছেন তো? জেনে নিন সফল মানুষদের কিছু অভ্যাস। ঘুম থেকে ওঠা  : এক ঘণ্টা আগে ঘুম থেকে উঠুন- আমরা দেরি করে উঠি। তারপর সময় না পাওয়ার বাহানা খুঁজি সারা দিন। এ দিকে যে কোনও সফল মানুষকে আপনি দেখবেন তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠতে। আপনিও আজ থেকে এক ঘণ্টা এগিয়ে আনুন ঘুম থেকে ওঠার সময়। দেখবেন দিনটা অনেক বড় হয়ে যাবে। প্রথম দিকে একটু অসুবিধা হলেও ধীরে ধীরে অভ্যাস হয়ে যাবে। সফল ভাবতে শিখুন  : নিজে জীবনে কী করতে চান সেই বিষয়ে যদি আপনার স্বচ্ছ ধারনা থাকে তবেই আপনি জীবনে সফল হতে পারবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে নিজের পুরো দিনটা মনে মনে ছকে ফেলুন। সারা দিনে কী করতে চান, কোন কাজটা আপনাকে লক্ষ্যে পৌঁছতে সাহায্য করবে তা মনে

‘I love you’- কথাটার অর্থ কি?

‘I love you’- কথাটার অর্থ কি? ‘I love you’- কথাটার অর্থ কি? ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’- কি সহজ সরল এবং সাদামাটা একটা বিবৃতি। অথচ সাদামাটা এই বিবৃতিটিই নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে অলংকারময়, অর্থবহ একটি ভাবের প্রকাশ ঘটায়। ইংরেজী ভাষার most powerful-and the most misunderstood বাক্যও নাকি এটিই। ‘I love you’ এর অর্থ কি তা হলে? এটি কি সত্যিই দুর্বোধ্য কিছু? কানাডিয়ান উপন্যাসিক ম্যারিয়ান এপোস্টোলিডিস বলছেন, I love you: those three magic words are the most powerful and misunderstood words in the English language, এই টুকু বলেই ক্ষ্যান্ত থাকেননি ম্যারিয়ান। শেক্সপিয়ার, ফ্রয়েড, আরেথা ফ্রাংকলিন, ডলি পার্টনসহ একগাদা লেখক, শিল্পী, মনস্তাত্বিক ঘেটে এসে তিনি জানাচ্ছেন,”I love you” can be enriching, manipulative and even empty.’ কানাডার সিবিসি রেডিও- ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে ’আই লাভ ইউ’র অর্থ খুঁজতে শুরু করেছিল। তাদের অনুসন্ধানে (মানে আলোচনায়) তারা বলছেন,” I love you “কে কেবল ‘এক্সপ্রেসিভ’ হিসেবে দেখলেই চলবে না। এটি আসলে ‘পারফরমেটিভ’ও। তিন শব্দের এই বাক্যটি প্রকাশ করেই থেমে থাকে না, সে ’পারফরম’ও করতে চায়। সাইকো এনালিষ্ট

আর্থিক সফলতার ব্যাপারে ওয়ারেন বাফেট এর ১০টি উক্তি

আর্থিক সফলতার ব্যাপারে ওয়ারেন বাফেট এর ১০টি উক্তি অর্থ উপার্জন ও এর সঠিক ব্যবহারই মানুষকে সফলতা এনে দেয় । বিশ্বের অন্যতম সেরা ধনী ও মার্কিন  অর্থনীতিবিদ  ওয়ারেন এডওয়ার্ড বাফেট সাফল্য আনায়নে আর্থিক বিষয়ের দশটি দর্শনের প্রতি আলোকপাত করেছেন । সেগুলো হলো……… ১। আয়ের থেকে খরচ কম রাখা । ২।খরচ কে চাহিদা এবং সামর্থের মধ্যে বেঁধে রাখা । ৩। কেনাকাটায় ভবিষ্যৎ মূল্যায়ন করে খরচ করা । ৪। একটিতে সীমাবদ্ধ না থেকে আয়ের এর নানা পথ খোজা । ৫। জীবনে বড় পরিবর্তন এলে ও  জমা খরচ  মিলিয়ে নেয়া । ৬। আর্থিক হিসাব গুলোতে নিয়মিত নজর রাখা । ৭। নিজের ব্যাংক সম্পর্কিত বিষয় নিজে সামলানো । ৮। অর্থের ব্যাপারে বুদ্ধিগত সীমাবদ্ধতার কথা মাথায় রাখা । ৯। বিনিয়োগের ঝুঁকি এড়াতে সাথে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা । ১০। বিশেষজ্ঞদের উপদেশ মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া ।

পৃথিবীর এক অমীমাংসীত রহস্য ‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল’

পৃথিবীর এক অমীমাংসীত রহস্য ‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল’ প্রকৃতি রহস্য পছন্দ করে। নিজেকে সে আগলে রাখে নানা ধরনের রহস্য দিয়ে। কিছু রহস্যের সমাধান মানুষ করতে পারে। কিছু রহস্য অমীমাংসিতই থেকে যায়। এমন এক অমীমাংসীত রহস্যে নাম হচ্ছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। এটি শয়তানের ত্রিভূজ বা“ Devil’s Triangle “নামে পরিচিত । যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিড, পুয়ের্তো রিকো, বারমুডা এ তিনটি স্থানে কাল্পনিক ত্রিভুজাকার এলাকা কে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল বলে। বহু জাহাজ ও বিমান এ জায়গায় গেলে নিখোঁজ হয়ে যায় যার কারণে একে “ Devil’s Triangle ” বলে। ধারণা করা হয় এই অঞ্চলে কিছু অতিপ্রাকৃত জিনিস রয়েছে যার কারণে এখানে পৌঁছানো বিমান ও জাহাজ নিখোঁজ হয়ে যায়। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে যত সব মিথ আর গল্প : বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে কত যে মিথ আর গল্প আছে তার কোন ইয়ত্তা নেই। যেমন, এই এলাকায় কখনো কোনো জাহাজ বা বিমান গেলে তা আর কখনো ফিরে আসেনি, ওখানে গেলেই জাহাজ আর বিমান নাকি ওদের সিগন্যাল হারিয়ে ফেলে,আর বাইরের দুনিয়ার সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এখানে কম্পাসের কাঁটা এলোমেলো দিক দেখায়,অদ্ভুত সব আলোর নাচানাচি দেখা যায়,

জাযাকাল্লাহু খাইরান-এর অর্থ কি?

জাযাকাল্লাহু খাইরান-এর অর্থ কি? আপনি কি জানেন, ﺟَﺰَﺍﻙَ ﺍﻟﻠّٓﻪُ ﺧَﻴْﺮًﺍ (জাযাকাল্লাহু খাইরান)-এর অর্থ কি? আপনি যখন কাউকে ভাল, সুন্দর বা তার পছন্দসই কোন কাজ উপহার দেন তখন হয়ত অনেক মানুষই আপনাকে বলে থাকেন, “জাযাকাল্লাহু খাইরান”। বা, আমি-আপনিও বলে থাকি কখনো কখনো। কিন্তু আমরা কি জানি যে এই বাক্যটির অর্থ কি? আসুন, জেনে নেই বাক্যটির অর্থ। এর বেশ সুন্দর কয়েকটি অর্থ রয়েছে। ১। ﺧﻴﺮ ( খাইর) শব্দটি সে সমস্ত বিষয়কে বুঝায় যা আল্লাহর নিকট প্রিয়। তাই “খাইর” শব্দের মাধ্যমে সবরকমের কল্যাণ কামনা করা হয়। ২। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে  জান্নাত  এবং জান্নাতে তাঁর দিদার দ্বারা সৌভাগ্যবান করুন। ৩। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ আপনাকে কাফিরদের স্থান জাহান্নাম থেকে হেফাজত করুন। ৪। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনাকে সিরাতে মুস্তাক্বিম তথা সরল পথে পরিচালিত করেন। ৫। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনার উপর কোন অভিশপ্ত শয়তানকে চাপিয়ে না দেন। ৬। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ আল্লাহ যেন আপনার রিজিকের মধ্যে  বরকত  দান করেন। ৭। “জাযাকাল্লাহু খাইরান” অর্থঃ শেষ দিবস পর্যন্ত আল্ল

মস্তিষ্ককে শক্তিশালী বানানোর উপায় কি?

মস্তিষ্ককে শক্তিশালী বানানোর উপায় কি? ঘুমোনোর আগে নতুন কিছু শেখা-রাতে শোওয়ার আগে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। মনে করার চেষ্টা করুন সারাদিন কী করলেন। আর হ্যাঁ, পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। নির্ঘুম শরীর অনেকাংশেই মনের ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে। তাই ঘুম হতে হবে ঠিকঠাক। নতুন কোনও কাজ শেখার চেষ্টা করা-নতুন কোনও কাজ শেখার চেষ্টা করলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। এই যেমন ধরুন আপনি হয়তো কাগজের প্লেন তৈরি করতে জানেন না। সেটা শিখে নিয়ে তৈরি করুন। কিংবা নতুন কোনও কাজ করতে শুরু করুন। স্মৃতিশক্তি এতে বাড়বে। মানসিক চাপ থেকে এড়িয়ে চলুন। মানসিক চাপ বাড়লে  স্মৃতিশক্তি  কমতে শুরু করে। বন্ধু ও পরিচিতজনের সংখ্যা বাড়ান এবং তাদের সাথে গড়ে তুলুন গঠনমূলক সুন্দর সামাজিক সম্পর্ক। রুটিন করে মস্তিষ্ককে দিনের একটি বিশেষ সময় ব্যস্ত রাখা-রুটিন করে মস্তিষ্ককে দিনের একটা বিশেষ সময়ে ব্যস্ত রাখুন। যেমন ধরুন প্রতিদিন সকালে শব্দছকের খেলা অভ্যাস করুন। কিংবা ছেলে মেয়েদের পড়ানোর ফাঁকে নিজে একবার নামতটা মুখস্থ করুন। প্রচুর পরিমাণ জল, দুধ খাওয়া-খাদ্যাভাসের সঙ্গে স্মৃতিশক্তির দারুণ একটা সম্পর্ক রয়েছে। ফাস্ট ফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলু

স্টিব জবসের জীবন পাল্টে দেওয়ার মত উপদেশ বাণী

স্টিব জবসের জীবন পাল্টে দেওয়ার মত উপদেশ বাণী স্টিভ জবস যখন মারা যান তখন এ্যাপলের ব্যাংক একাউন্টে জমা ছিলো ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশী। টেকনোলজির এই রাজপূত্র মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে একেবারে অন্তিম মুহুর্তে জীবন সম্পর্কে কিছু অসাধারণ কথা বলেছিলেন-যা জাপানি, চায়নীজ, হিন্দি, উর্দু, আরবী, স্প্যানিশ, পর্তুগীজ, রুশ সহ প্রায় আঠারোটি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। শুধু তাই নয়- শিশুদের মানসিক উৎকর্ষতা বিধান এবং তাদের সুন্দর মনন গঠনের লক্ষে একাধিক ভাষায় স্টিভ জবসের এই অমর কথাগুলো সহ উনার জীবনী বিভিন্ন দেশের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। ১) বাণিজ্যিক দুনিয়ায় আমি সাফল্যের একেবারে সর্বোচ্চ চুড়োয় আরোহণ করেছি। যা আপনাদের কাছে সাফল্যের এক অনুপম দৃষ্টান্ত।কিন্তু,এ কথা ধ্রুব সত্য কাজের বাইরে আমার সামান্যই আনন্দ ছিলো। সম্পদের প্রলোভনে বিভোর ছিলাম সারা জীবন। আজ মৃত্যুশয্যায় শুয়ে যখন জীবনটাকে দেখি-তখন আমার মনে হয়, আমার সব সম্মান, খ্যাতি আর অর্জিত সম্পদ আসন্ন মৃত্যুর সামনে একেবারেই ম্লান, তুচ্ছ আর অর্থহীন। এ্যাপলের বিশাল সাম্রাজ্য আমার নিয়ন্ত্রনে ছিলো-কিন্তু মৃত্যু আজ আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে।পৃথিবীর অন্

‘আমার যখন মৃত্যু আসবে’ জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি

‘আমার যখন মৃত্যু আসবে’ জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি মহাকবি  মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি  ১২০৭ সালে আফগানিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ১৩ শতকের একজন ফার্সি সুন্নি মুসলিম কবি। তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি এবং ‘বেস্ট সেলিং পয়েট’ বলা হয়। মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমির অনন্য সাহিত্যকর্ম ‘মসনবি’ কাব্যে কল্পনা, বাস্তবতা, প্রেম, আধ্যাত্মিকতা, শিক্ষা, রহস্য, রূপকতা ও উপদেশসহ নানা ধরনের আয়োজন প্রায় ৮০০ বছর পরও তার কবিতাকে অত্যুজ্জ্বল করে রেখেছে বিশ্বসাহিত্যে। ‘আমার যখন মৃত্যু আসবে’ – জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি ‘আমার কফিন যখন নিয়ে যাবে তুমি তখন এটা ভেবো না— আমি এ পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাচ্ছি চোখ থেকে অশ্রু ফেলো না মুষড়ে যেও না গভীর অবসাদে কিংবা দুঃখে আমি পড়ে যাচ্ছি না কোন অন্তর্হীন গভীর ভয়ংকর কুয়ায়! দেখবে যখন আমার মৃতদেহ নিয়ে যাচ্ছে তুমি কেঁদো না- আমি কোথাও যাচ্ছি না আমি কেবল পৌঁছে যাচ্ছি অনন্ত প্রেমে। মানুষ যখন আমাকে কবরে শোয়াবে বিদায় বলো না আমাকে! কবর কেবল একটা পর্দা মাত্র এটা পেরোলেই  স্বর্গ । তুমি কেবল দেখেছো আমাকে কবরে নামতে এখন দেখো আমি জেগে উঠছি! কিভাবে এটার শেষ হয় সেখানে যখন সূর্

জালাল উদ্দিন রুমির ১৫টি উক্তি ও বাণী | Inspirational Bangla Quotes

জালাল উদ্দিন রুমির ৩০টি উক্তি ও বাণী | Inspirational Bangla Quotes জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি (১২০৭ – ১৭ ডিসেম্বর ১২৭৩) একজন ফার্সি কবি। তাকে মুহাম্মদ বালখী, মাওলানা রুমি, মৌলভি রুমি নামে ডাকা হলেও শুধু ‘রুমি’ নামে বেশি জনপ্রিয়। রুমিকে একজন কবি, দার্শনিক, ধর্মবেত্তা ও আধ্যাত্মিক গুরু মনে করা হয়।  রুমি  তের শতকের একজন কবি ছিলেন। তার লেখা ‘মসনবী’ বহুল পঠিত বই। তার কিছু বিখ্যাত পংক্তি এখানে সংকলিত হলো- ১. মোমবাতি হওয়া সহজ কাজ নয়। আলো দেওয়ার জন্য প্রথম নিজেকেই পুড়তে হয়। ২. তোমার জন্ম হয়েছে পাখা নিয়ে, উড়ার ক্ষমতা তোমার আছে। তারপরও খোঁড়া হয়ে আছো কেন! ৩. তোমার হৃদয়ে যদি আলো থাকে, তাহলে ঘরে ফেরার পথ তুমি অবশ্যই খুঁজে পাবে। ৪. আমাদের চারপাশেই সৌন্দর্য ছড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এটা বুঝতে হলে বাগানে হাঁটতে হবে। ৫. প্রতিটি মানুষকে একটা নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং সেই কাজটি তার হৃদয়ে গ্রন্থিত আছে। প্রতিটি মানুষ ভেতর থেকে ঠিক সেই কাজটি করার জন্যই তাড়না অনুভব করে। ৬. যা কিছু হারিয়েছো তার জন্য দুঃখ করো না। তুমি তা আবার ফিরে পাবে, আরেকভাবে, আরেক রূপে। ৭. এটা তোমার আলোই, তোমার আলোই এই জগতকে আল