সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফ্লাইট ৫১৩ টাইম ট্রাভেলের এক রহস্যময় ঘটনা!

ফ্লাইট ৫১৩ টাইম ট্রাভেলের এক রহস্যময় ঘটনা! আমরা যখন প্লেনে ভ্রমন করি তখন আমরা চিন্তা করি একটা নির্দিষ্ট সময় পর আমরা আমাদের গন্তব্যস্থলে পৌছাবো কিন্তু যদি এমন হয় যে প্লেনটি আর গন্তব্যস্থলে পৌছাতেই পাড়লো না তখন? ৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৪ এর সকালে একটি ফ্লাইট সেন্টিয়াগো-৫১৩ এর অদৃশ্য হয়ে যাবার ঘটনাটি এখনো মানুষের কাছে রহস্যময় হয়ে রয়েছে। ১৯৮৯ সালে ট্যাবলয়েড উইকলি ওয়ার্ল্ড নিউজ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, সান্টিয়াগো এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট-৫১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ সালে পশ্চিম জার্মানির আচেন থেকে যাত্রা করেছিল এবং ১৮ ঘন্টা পরে ব্রাজিলের পোর্তো আলেগ্রিতে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে, বিমানটি আটলান্টিক মহাসাগরের উপর দিয়ে যখন যাচ্ছিল তখন মাঝ  সমুদ্রে রাডার  থেকে সংযোগ হারিয়ে ফেলে। নিখোঁজ হওয়ার সময়, কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করেছিল যে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এর পরের কয়েক বছর ধরে, যাত্রীদের বা বিমানের অবশেষ অনুসন্ধান করার জন্য একাধিক অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছিল তবে কিছুই পাওয়া যায়নি। সময় কেটে গেল এবং কয়েক দশক কেটে গেল। সান্টিয়াগো এয়ারলাইনসটি নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগের মাত্র দু’বছর পরে ১৯৫৬ সালে এই ব্যবসা ব

রহস্যময় ঘটনা: জাপানে অচেনা দেশ থেকে আসা আগন্তুক

রহস্যময় ঘটনা: জাপানে অচেনা দেশ থেকে আসা আগন্তুক রহস্যময় ঘটনাটি জাপানের একটি বিমান বন্দরের। এই ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৫৪ সালে। জাপানের এয়ারপোর্টে তখন সময় দুপুর প্রায় ১২.৩০। জাপানের টোকিও বিমানবন্দরে, হেনেডা নামক বিমান ল্যান্ড করে। বিমানের প্রত্যেক যাত্রী চেকআউটের জন্য কাউন্টারে চলে যায়। সেখানকার সব যাত্রীদের প্রয়োজনীয় নথীগুলি চেক করা হচ্ছিল। হঠাৎই সেখানকার আধীকারিকেরা আবিষ্কার করেন যে, একজন যাত্রীর, পাসপোর্টে লিখা আছে যে, সেই ব্যাক্তিটি “টরেড” নামের এক দেশ থেকে এসেছেন। আধিকারিকেরা এর আগে কোনোদিনও এরকম দেশের নাম শুনেননি। দেশটির নাম শোনার পরেই, তাদের লোকটির উপর সন্দেহ হয়। এরপর এই যাত্রীকে সুরক্ষা আধিকারিকদের হাঁতে দিয়ে দেওয়া হয়। সেই ব্যক্তিটিকে জাপানে আসার কারণ জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান যে, তিনি একজন ব্যবসায়ী, এবং ব্যবসার জন্যই এখানে এসেছেন। এরপর আধিকারিকেরা সেই ব্যক্তির  পাসপোর্ট  চেক করেন এবং দেশের নাম “টরেড” দেখে অবাক হয়ে যান, কারণ এর আগে এরকম কোনো দেশের নাম তারা শোনেননি। সত্যি কি এরকম নামের কোনো দেশ পৃথিবীতে আছে? এরপর সেই  রহস্যময়  ব্যক্তিটি জানান যে, এই পাসপোর্টের মাধ্যমে তি

শিক্ষামূলক গল্প: ‘ধার্মিক স্বর্ণকার ও রাজার আংটি’

শিক্ষামূলক গল্প: ‘ধার্মিক স্বর্ণকার ও রাজার আংটি’ এক শহরে বাস করতো এক স্বর্ণকার। লোকটা ছিল বেশ ধার্মিক ও সৎ। প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগেই সে তার কাজে চলে যেত। তার দোকান ছিল শাসকের প্রাসাদের সামনে। দোকান খোলার আগে প্রতিদিন ওই স্বর্ণকার আকাশের দিকে দু’হাত তুলে মোনাজাত করে বলতো: ‘হে মহাজ্ঞানী, রিযিকদাতা! হে ক্ষমাকারী! তুমি তো অসীম অধিকারী! সকল কিছুর ওপরে তুমি সর্বশক্তিমান। সমুদ্রের তলায়ও যদি কোনো কিছু পড়ে তুমি তাকে শুষ্ক অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার শক্তি রাখো!’ এই দোয়া করে দোকানের দরোজা খুলতো সে। বাদশার প্রাসাদ যেহেতু কাছেই ছিল সে কারণে স্বর্ণকারের দোয়ার শব্দে বাদশার মজার ঘুম ভেঙে যেত প্রতিদিন, কেননা প্রাসাদের জানালা খোলাই থাকতো। একদিন বাদশার ঘুম ভাঙতেই বাদশা রেগেমেগে চীৎকার করে বললো: কে এই লোক প্রতিদিন সকালবেলা আমার আরামের ঘুম হারাম করে দেয় আর ভেঙে দেয় চমৎকার স্বপ্ন? বাদশা তার এক চাকরকে ডেকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলো যে এটা এক স্বর্ণকারের কাজ। আর তার দোকান হচ্ছে প্রাসাদের সামনে। এ কারণে ওই স্বর্ণকারকে ‘উচিত’ শিক্ষা দেওয়ার চিন্তা করলো বাদশা। উজিরকে ডেকে একটা হীরার আংটি নিলো এবং প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে দুজ

রাগ কমানোর ৬টি উপায় জেনে নিন

রাগ কমানোর ৬টি উপায় জেনে নিন যখনই বুঝবেন খুব বেশি রেগে যাচ্ছেন, সাথে সাথেই লম্বা দম নেয়া শুরু করুন। মারাত্মকভাবে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার আগে লম্বা নিঃশ্বাস নিন। এটা আপনাকে শান্ত থাকতে সাহায্য করবে, প্রতিক্রিয়াটা আর আগের মতন তীব্র হবে না। রাগের সময় কোন কাজ করতে যাবেন না। এমনকি কথা বলাও না। চুপচাপ একলা থেকে রাগ কমানোর পর্যন্ত বসে থাকুন। কিংবা খানিকক্ষণ একলা হাঁটাহাঁটি করুন,  এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি  খান। দেখবেন বেশ দ্রুত রাগ কমে স্বাভাবিক চিন্তা ফিরে আসছে। বাড়িতে ও অফিসে কাজ কিংবা মানসিক চাপ দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। সেই সাথে ধৈর্য না বেড়ে প্রতিনিয়ত যেন কমে যাচ্ছে আরও। সেই সাথে কমে যাচ্ছে রাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ। দৈনন্দিন জীবনে কিছু বিষয় আছে যার কারনে যে কারো রাগ উঠতেই পারে। কিন্তু সমস্যা হলো রাগের মাত্রা নিয়ে। ধরুন, আপনার বসের কারনে আপনার রাগ উঠে গেল কিংবা বসের ওপরে খেপে গেলেন। আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কিছু বলে বসলেন অথবা কিছু করে ফেললেন। তখন ঘটনাটি কেমন দাঁড়াবে? রাগ হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু রাগের মাত্রা বেড়ে যাওয়া ভালো নয়। সুতরাং মাত্রাতিরিক্ত রাগের আগেই তাকে নিয়ন্ত্রণ করুন। কেবল স্বা

সফলতার গল্প: বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে সাফল্য

সফলতার গল্প: বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে সাফল্য এখন পুকুর, খাল-বিলের পাশাপাশি বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে সফলতা পাচ্ছেন মৎস্য চাষিরা। স্বল্প জায়গা ও ঘরের ভেতর আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘরের ভেতর ও বাড়ির আঙিনায় মাছ চাষ হচ্ছে। বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে সফল হয়েছেন সিরাজগঞ্জের পৌর এলাকার সরকার পাড়ার তুষার আহম্মেদ ও চর-রায়পুর গ্রামের রিপন সরকার। কম খচরে মাছ চাষে সফল হওয়ায় নিজ এলাকা পেরিয়ে এখন পুরো জেলায় মৎস্যজীবী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন তারা। ইতোমধ্যে তাদের হাত ধরে জেলায় নতুন পদ্ধতিতে মাছ চাষে সম্ভাবনার এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে। বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে তুষার ও রিপনের সফলতা দেখে জেলার শিক্ষিত বেকার যুবকদের বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে আগ্রহ বাড়ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে চাকরির পেছনে না ছুটে স্বাবলম্বী হয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এমন প্রত্যাশা অনেকের। বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে একদিকে যেমন দেশি মাছের চাহিদা পূরণ হচ্ছে অন্যদিকে আমিষের যোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে। সনাতন পদ্ধতিতে পুকুর খনন করতে গিয়ে কৃষিজমি কমছে। কি

সফলতার গল্প: মাছ চাষে ৭ বন্ধুর অভাবনীয় সাফল্য!

সফলতার গল্প: মাছ চাষে ৭ বন্ধুর অভাবনীয় সাফল্য! নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের মহারাজপুর গ্রামের জাকির হোসেন ও তার ৬ বন্ধু নিষ্ঠা, সততা এবং পরিশ্রমের ফলে অল্প সময়ের মধ্যে মাছ চাষ করে অর্জন করেছেন অভাবনীয় সাফল্য। তারা অর্জন করেছেন উপজেলার সেরা মৎস চাষী পুরষ্কার। শিক্ষিত হয়েও তারা চাকরির না খুঁজে নিজেরা  স্বাবলম্বী  হওয়ার জন্য করেন মাছ চাষ। মাত্র দুই লাখ টাকা নিয়ে ২০১৮ সালে তিনটি পুকুর লিজ নিয়ে শুরু করেন মাছের চাষ। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাদের। তার সাত বন্ধু হলেন রিয়াজুল ইসলাম, বুলবুল, ইসমাইল হোসেন, জাকির হোসেন, ইব্রাহিম খলিল। এখন বর্তমানে আমাদের মোট ১০০ বিঘার ১৫টি পুকুর রয়েছে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায়। বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা হ্যাচারি থেকে সংগ্রহ করে পুকুরে করে বড় করেন তারা। তাদের এসব মাছের পুকুরে প্রতিদিন নিয়মিত খাবার দিতে হয়। প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুতে পুকুরে মাছের পোনা ছেড়ে দেয়ার পর ১০ মাস ধরে মাছগুলো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়ে বড় করে ডিসেম্বর মাস থেকে দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হয়। তারা জানান, মাছ চাষ করে একদিকে তারা যেমন নিজেরা স্বাবলম্বী হয়েছে, অপরদিকে তাদের এই

সফলতার গল্প: একটি গরু থেকে সফল উদ্যাক্তা আলেপ

সফলতার গল্প: একটি গরু থেকে সফল উদ্যাক্তা আলেপ পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই বিয়ে। স্নাতকোত্তর পাশ করে এনজিও সংস্থায় চাকরি শুরু করেন। কিন্তু স্বপ্ন যার আকাশ ছোঁয়া সে কি আর আর স্বল্প বেতনে চাকরি করতে পারেন? চাকরি ছেড়ে ফিরে আসেন বাড়িতে। কাজ নেই, উপার্জন নেই; হতাশা জেঁকে বসে মনে। এরমধ্যে পরিবার থেকে তাকে আলাদা করে দেয়া হয়। বাবার দেয়া এক বিঘা জমি ও একটি বকনা বাছুর সম্বল। বাড়ির সামনে কুঁড়ে ঘর তৈরি করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস। সেই একটি বকনা বাছুর থেকে আজ ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৫২টি উন্নত জাতের গরুর মালিক তিনি। বাড়ির সামনে গড়ে তুলছেন বিশাল গরুর খামার। করেছেন আলিশান বাড়ি। বলছি পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়নের পৈলানপুর গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে আলেপ হোসেনের কথা। তার দেখাদেখি এখন গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার উন্নত জাতের গরু লালন-পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। পরিশ্রম করলে কোন কিছুই যে বাধা হতে পারে না তার জ্বলন্ত উদাহারণ আলেপ হোসেন। ২০০৭ সালে পাবনার এ্যডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ইতিহাস বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করা আলেপ হোসেনের খামারে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির সামনেই গড়ে তুলেছেন বিশাল গর

ছোটদের ৫টি নৈতিক শিক্ষামূলক গল্প

ছোটদের ৫টি নৈতিক শিক্ষামূলক গল্প আজকের ব্যস্ত সময়সূচীতে এবং সর্বজনীন প্রযুক্তিতে, আমরা ইন্টারনেটে আমাদের শিশুদেরকে বিনোদন পাওয়ার সুযোগ দিয়েছি। যাইহোক, কিছু গল্পের সাহায্যে আপনার ছোট্টের সাথে সামান্য গুণমানের সময় কাটাতে এবং তার সাথে কিছু জ্ঞান বিতরণ করার সমতূল্য আর কিছুই হয় না। আপনি আপনার সন্তানকে আপনার নৈতিক মূল্যবোধগুলির সাথে মিলিয়ে একটি গল্প বলতে পারেন। আজকের গল্পের আসরে ছোটদের ৫টি নৈতিক  শিক্ষামূলক গল্প  নিয়ে সাজানো হয়েছে। সূঁচ গাছ একবার দুই ভাই বনের প্রান্তে বসবাস করত। বড় ভাই তার ছোট ভাইয়ের প্রতি খুব নীচ মনোভাব জ্ঞাপন করত এবং সমস্ত খাবার খেয়ে ফেলতো ও তার সমস্ত ভাল কাপড় নিয়ে নিত। একদিন, বড় ভাই বাজারে বিক্রি করার জন্য কিছু কাঠের সন্ধানে বনে গিয়েছিল। সে বৃক্ষের পরে বৃক্ষের ডালপালা কাটতে কাটতে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে, একটি যাদুকর গাছের সামনে এল। গাছটি তাকে বলল, ‘ওহে মহাশয়, দয়া করে আমার শাখা কাটবেন না। আপনি যদি আমাকে ছেড়ে দেন, আমি আপনাকে আমার সোনার আপেল দেব। বড় ভাই রাজি হল কিন্তু গাছ যে কটা আপেল দিল তাতে সে হতাশ হল। সে লোভে কাবু হয়ে গেল, এবং গাছকে হুমকি দিল যে আরো আপেল না দিলে