সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বর্ষায় চুল পড়া সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়

বর্ষায় চুল পড়া সমস্যা থেকে মুক্তির উপায়

চুল পড়া সমস্যার সমাধান

বর্ষাকালে চুল পড়ার সমস্যা কমবেশি সবারই হয়। যাদের পাতলা চুল তাদের তো দুঃখের শেষ নেই। একদিন শ্যাম্পু না করলেই তেল তেলে হয়ে যাচ্ছে চুলের গোড়া। চুলে চিরুনি ছোঁয়ালেই গুচ্ছ গুচ্ছ চুল ঝড়ে পড়তে থাকে।

অনেকেরই ধারণা, চুলের তেল তেলে ভাব দূর করতে শ্যাম্পুই একমাত্র কার্যকর সমাধান, এটি ভুল। কারণ, একদিন না যেতেই আবার সেই সমস্যা ফিরে আসবে। সেজন্য চুলের যত্ন নিতে হবে। লকডাউনে যেহেতু বাড়িতেই থাকতে হচ্ছে, সেজন্য চুলের যত্ন নেওয়ার সময়ও পাবেন যথেষ্ট। পদ্ধতিগুলোও খুব সহজ।

চলুন জেনে নিই বর্ষাকালে চুল পড়া সমস্যা থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন-

১.সপ্তাহে অন্তত ২দিন মাথায় তেল দেওয়ার চেষ্টা করুন। চুলের যত্ন নিতে এই উপায়টি একেবারে আদি। অলিভ অয়েল চুলের পুষ্টির জন্য খুবই উপকারি। এই তেল সপ্তাহে অন্তত দুদিন ব্যবহার করলে চুলের গোড়া যেমন মজবুত হবে, তেমনি চুলের উজ্জ্বলতাও বাড়বে।

২.অ্যালোভেরা যেমন ত্বকের জন্য কার্যকরী তেমনি চুলের জন্যও ভীষণ উপকারি। অ্যালোভেরার মধ্যে থাকে ভিটামিন-ই। যা স্কাল্পের পরিচর্চার জন্য আদর্শ।

৩.তেলের সঙ্গে মেহেদি মিশিয়ে তা মাথায় লাগালে চুলের জন্য উপকার পাওয়া যায়। তবে মেহেদি ব্যবহার করার সময় অবশ্যই একটা বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, ৩০ মিনিটের বেশি কখনই মেহেদি মাথায় রেখে দেওয়া উচিত নয়।

৪.ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল পড়ে যাওয়া ঠেকাতে খুব ভালো কাজ করে মধু ও ডিম। এই দুইয়ের মিশ্রণ ৩০ মিনিট করে মাথায় লাগিয়ে ধুয়ে ফেলার পর চুল অনেকটা ভালো থাকে। উজ্জ্বলতাও বাড়বে। এই কয়েকটি ঘরোয়া যত্ন নিলেই বর্ষাতে আপনার চুলের ঝড়ে যাওয়া অনেকটা কমে যাবে।

#শিক্ষামূলক আর্টিকেল এবং নানান টিপস পেতে ভিজিট করুন অনুপ্রেরণা ডটকম


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শিক্ষামূলক গল্প: তিন যুবকের নিয়ত

শিক্ষামূলক গল্প: তিন যুবকের নিয়ত :  গল্পটি বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) যুবক বয়সের। যারা আল্লাহর ওলিদের সাথে বেআদবি করেন, সেসকল ভাই-বোনদের জন্য এই ঘটনায় একটি শিক্ষা বা উপদেশ রয়েছে। কুতুবে জামান হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহঃ। তাঁরই যৌবনকালের একটি ঘটনা।  একদিন তিনি এক বুযুর্গের সাথে মুলাকাত করতে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন আরো দু’জন লোক। ওদের গন্তব্যও সেই একই জায়গায়। চলতে চলতে ওরা পরস্পর কথা বলছিল। হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহঃ ওদের কথা চুপচাপ শুনে যাচ্ছিলেন। নিজ থেকে তিনি কিছুই বলছিলেন না। কথা হচ্ছিল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। আলোচনা থেকে কোনো কিছু বাদ যাচ্ছিল না। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাষ্ট্রীয়-সব ধরনের কথাই স্থান পাচ্ছিল ওদের আলাপচারিতায়। সঙ্গী দু’জনের একজনের নাম-ইবনুস সাকা। বেশিরভাগ কথা সে-ই বলছিল। তাঁর মুখ থেকে খৈ ফুটছিল যেন। কথা-বার্তায় এক পর্যায়ে সে তাঁর সাথীকে জিজ্ঞেস করল, ভাই! তুমি কী উদ্দেশ্যে বুযুর্গের খেদমতে যাচ্ছ? জবাবে সে বলল, আমি কেবল একটি উদ্দেশ্য নিয়ে সেখানে যাচ্ছি। আর তাহলো—রিযিকের প্রশস্ততার জন্য দোয়া চাওয়া। এবার তোমার উদ্দেশ্য বলো। উত্তরে ইবনুস সাকা বলল, আমি এক বড় উদ্দেশ্য নিয়ে

নীতি গল্প: সম্রাট নওশের এর লবনের মূল্য!

নীতি গল্প: সম্রাট নওশের এর লবনের মূল্য! ইরান এক সুন্দর দেশ। সেই দেশের এক সম্রাট- নাম তাঁর নওশের। প্রজাদের তিনি খুব ভালোবাসতেন। সত্য ও সুন্দরের কথা বলতেন। ন্যায়ভাবে শাসন করেন রাজ্য। চারদিকে তাঁর সুনাম। সকলেই সম্রাট নওশেরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সম্রাট একদিন সদলবলে শিকারে গিয়েছেন। বনের এদিকে ঘুরে বেড়ান, ওদিকে ঘুরে বেড়ান। শিকার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে সম্রাট বিশ্রামের জন্য তাবু ফেললেন। এদিকে দুপুরবেলা, খাবারের সময়। পথশ্রমে সিপাহিরাও সবাই ক্লান্ত। এদিকে  সম্রাট  নওশেরও ক্ষুধা লেগেছে। তিনি বাবুর্চিদের হুকুম দিলেন রান্নার আয়োজন করবার জন্য। কিন্তু বাবুর্চিরা রান্না করতে গিয়ে দেখে তারা লবন আনতে ভুলে গিয়েছে। এক সেপাহি সঙ্গে সঙ্গে ছুটল লবনের সন্ধানে। সম্রাট তাকে বললেন- কোথায় যাচ্ছ তুমি? সেপাহি বলল, ‘বনের ধারে কোন বাড়িতে যাব। দেখি সেখানে লবণ পাওয়া যায় কিনা।’ সম্রাট বললেন, ‘যেখানেই যাও না কেন, যার কাছে থেকেই লবণ আনো না কেন, পয়সা দিয়ে কিনে এনো কিন্তু। সেপাই ঘোড়া নিয়ে ছুটল। খুব তাড়াতাড়ি লবণ জোগাড় করে ফেলল সে। ফিরে এল আরো দ্রুত। মুখে তার সার্থকতার হাসি। সেপাহি বলল, ‘বাদশাহ নামদার, লবণ সংগ্রহ করে এনেছি’। সম

৬০ কিমি হেঁটে ২৬ দিন পর মনিবের কাছে কুকুর!

কুকুর ছানা কুকুরটির এভাবে বাড়ি ফেরার ঘটনা যারাই শুনছেন তারাই অবাক হয়ে যাচ্ছেন! মনিবের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে হারিয়ে গিয়েছিল সে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর প্রিয় কুকুরকে ফিরে পাওয়ার আশা যখন সবাই ছেড়ে দিয়েছে  মনিব , তখনই বাড়ি ফিরেছে সে। জানা গেছে, ২৬ দিনে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পথ হেঁটেছে সে। চীনের হাংঝোউ কিউ নামে এক ব্যক্তির পোষ্য দোউ দোউ। ওই পরিবারের সবারই খুব আদরের সে। সবাই মিলে বেড়াতে গিয়ে হারিয়ে যায়  কুকুর ছানাটি । বাড়ি থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে একটি সার্ভিস স্টেশনে গাড়ি দাঁড় করিয়েছিল কিউ। সে সময়ই দোউ দোউ হারিয়ে যায়। অনেক খুঁজেও পাওয়া যায়নি। হতাশ হয়ে সবাই বাড়ি ফিরে আসেন। দোউ দোউ হারিয়ে যাওয়ায় পরিবারের সবারই মন খারাপ ছিল। একটা সময় তাকে ফিরে পাওয়ার আশাও ছেড়ে দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু ঠিক ২৬ দিন পর বাড়ি ফিরে আসে দোউ দোউ। দরজার সামনে তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে সবাই চমকে যান। কিন্তু বুঝা যায় খুবই ক্লান্ত সে। অনেক পথ হাঁটার ক্লান্তি তো ছিলই। সেই সঙ্গে সারা গায়ে ময়লা। এখন অবশ্য একেবারে ফিট দোউ দোউ। একটু রোগা হয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো বদল নেই। বাড়ি ফেরার আনন্দে চোখ গুলো