সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সফলতার গল্প: মাছ চাষে ৭ বন্ধুর অভাবনীয় সাফল্য!

সফলতার গল্প: মাছ চাষে ৭ বন্ধুর অভাবনীয় সাফল্য!

মাছ চাষে সাফল্য

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার চাপিলা ইউনিয়নের মহারাজপুর গ্রামের জাকির হোসেন ও তার ৬ বন্ধু নিষ্ঠা, সততা এবং পরিশ্রমের ফলে অল্প সময়ের মধ্যে মাছ চাষ করে অর্জন করেছেন অভাবনীয় সাফল্য। তারা অর্জন করেছেন উপজেলার সেরা মৎস চাষী পুরষ্কার।

শিক্ষিত হয়েও তারা চাকরির না খুঁজে নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য করেন মাছ চাষ। মাত্র দুই লাখ টাকা নিয়ে ২০১৮ সালে তিনটি পুকুর লিজ নিয়ে শুরু করেন মাছের চাষ। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাদের।

তার সাত বন্ধু হলেন রিয়াজুল ইসলাম, বুলবুল, ইসমাইল হোসেন, জাকির হোসেন, ইব্রাহিম খলিল। এখন বর্তমানে আমাদের মোট ১০০ বিঘার ১৫টি পুকুর রয়েছে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায়। বিভিন্ন জাতের মাছের পোনা হ্যাচারি থেকে সংগ্রহ করে পুকুরে করে বড় করেন তারা।

তাদের এসব মাছের পুকুরে প্রতিদিন নিয়মিত খাবার দিতে হয়। প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুতে পুকুরে মাছের পোনা ছেড়ে দেয়ার পর ১০ মাস ধরে মাছগুলো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়ে বড় করে ডিসেম্বর মাস থেকে দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হয়।

তারা জানান, মাছ চাষ করে একদিকে তারা যেমন নিজেরা স্বাবলম্বী হয়েছে, অপরদিকে তাদের এই সফলতা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আলমগীর কবির বলেন, প্রতি বছর তাদের মাছের পুকুর থেকে হেক্টরে ১২.৯ টন মাছ উৎপাদন হয়। মাছ চাষের সফলতার জন্য তারা বিভিন্ন পুরষ্কার জিতেছেন। আমরা তাদের সব ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

তথ্য সূত্রঃ অনুপ্রেরণা ডটকম

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নীতি গল্প: সম্রাট নওশের এর লবনের মূল্য!

নীতি গল্প: সম্রাট নওশের এর লবনের মূল্য! ইরান এক সুন্দর দেশ। সেই দেশের এক সম্রাট- নাম তাঁর নওশের। প্রজাদের তিনি খুব ভালোবাসতেন। সত্য ও সুন্দরের কথা বলতেন। ন্যায়ভাবে শাসন করেন রাজ্য। চারদিকে তাঁর সুনাম। সকলেই সম্রাট নওশেরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সম্রাট একদিন সদলবলে শিকারে গিয়েছেন। বনের এদিকে ঘুরে বেড়ান, ওদিকে ঘুরে বেড়ান। শিকার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে সম্রাট বিশ্রামের জন্য তাবু ফেললেন। এদিকে দুপুরবেলা, খাবারের সময়। পথশ্রমে সিপাহিরাও সবাই ক্লান্ত। এদিকে  সম্রাট  নওশেরও ক্ষুধা লেগেছে। তিনি বাবুর্চিদের হুকুম দিলেন রান্নার আয়োজন করবার জন্য। কিন্তু বাবুর্চিরা রান্না করতে গিয়ে দেখে তারা লবন আনতে ভুলে গিয়েছে। এক সেপাহি সঙ্গে সঙ্গে ছুটল লবনের সন্ধানে। সম্রাট তাকে বললেন- কোথায় যাচ্ছ তুমি? সেপাহি বলল, ‘বনের ধারে কোন বাড়িতে যাব। দেখি সেখানে লবণ পাওয়া যায় কিনা।’ সম্রাট বললেন, ‘যেখানেই যাও না কেন, যার কাছে থেকেই লবণ আনো না কেন, পয়সা দিয়ে কিনে এনো কিন্তু। সেপাই ঘোড়া নিয়ে ছুটল। খুব তাড়াতাড়ি লবণ জোগাড় করে ফেলল সে। ফিরে এল আরো দ্রুত। মুখে তার সার্থকতার হাসি। সেপাহি বলল, ‘বাদশাহ নামদার, লবণ সংগ্রহ করে এনেছি’। সম

শিক্ষামূলক গল্প: তিন যুবকের নিয়ত

গল্পটি বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ) যুবক বয়সের। যারা আল্লাহর ওলিদের সাথে বেআদবি করেন, সেসকল ভাই-বোনদের জন্য এই ঘটনায় একটি শিক্ষা বা উপদেশ রয়েছে। কুতুবে জামান হযরত আব্দুল কাদের জিলানী রহঃ। তাঁরই যৌবনকালের একটি ঘটনা।  একদিন তিনি এক বুযুর্গের সাথে মুলাকাত করতে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন আরো দু’জন লোক। ওদের গন্তব্যও সেই একই জায়গায়। চলতে চলতে ওরা পরস্পর কথা বলছিল। হযরত  আব্দুল কাদের জিলানী (রহঃ)  ওদের কথা চুপচাপ শুনে যাচ্ছিলেন। নিজ থেকে তিনি কিছুই বলছিলেন না। কথা হচ্ছিল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। আলোচনা থেকে কোনো কিছু বাদ যাচ্ছিল না। ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাষ্ট্রীয়-সব ধরনের কথাই স্থান পাচ্ছিল ওদের আলাপচারিতায়। সঙ্গী দু’জনের একজনের নাম-ইবনুস সাকা। বেশিরভাগ কথা সে-ই বলছিল। তাঁর মুখ থেকে খৈ ফুটছিল যেন। কথা-বার্তায় এক পর্যায়ে সে তাঁর সাথীকে জিজ্ঞেস করল, ভাই! তুমি কী উদ্দেশ্যে বুযুর্গের খেদমতে যাচ্ছ? জবাবে সে বলল, আমি কেবল একটি উদ্দেশ্য নিয়ে সেখানে যাচ্ছি। আর তাহলো—রিযিকের প্রশস্ততার জন্য দোয়া চাওয়া। এবার তোমার উদ্দেশ্য বলো। উত্তরে ইবনুস সাকা বলল, আমি এক বড় উদ্দেশ্য নিয়ে সেখানে যাচ্ছি। আমার উদ্দেশ্য হলো

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে’র ছয় শব্দের গল্প!

আর্নেস্ট হেমিংওয়ে    ”For sale. Baby shoes. Never worn” বন্ধুদের সঙ্গে একবার রেস্তোরাঁয় বসে খাচ্ছিলেন আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। সে সময় তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ১০ ডলারের বাজি ধরেন যে ছয় শব্দে তিনি একটা আস্ত গল্প লিখে ফেলতে পারবেন। এরপর ন্যাপকিনে লিখে ফেলেন তার গল্পটি। গল্পটি হচ্ছে—– ”For sale. Baby shoes. Never worn” শিশুর একজোড়া জুতো বিক্রি করা হবে, যা একবারও পরেনি শিশুটি । একজন মায়ের অনুভূতি নিয়ে লেখা এ গল্পটি মাত্র ৬টি শব্দ দিয়ে লেখা হয়েছিল। বাচ্চার জন্য জুতো কেনা হয়েছিল, কিন্তু সেই বাচ্চাটা পৃথিবীর আলোই দেখেনি, মায়ের গর্ভেই শিশুটির মৃতু হয়” ৬ শব্দে গর্ভে মারা যাওয়া শিশুর জন্য মায়ের অনুভূতি! কী ভীষণ বেদনাদায়ক। সাহিত্য সমালোচকেরা এটিকে পৃথিবীর সবচেয়ে  ছোটগল্প  হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন !! দারুণ অনুপ্রেরণাদায়ী নোবেল বিজয়ী এ আমেরিকান লেখক তার ‘ দ্য ওল্ডম্যান এন্ড দ্য সি ‘ উপন্যাসে একটি সংলাপ যেটি আজও হেরে যাওয়া মানুষকে সমানভাবে জাগিয়ে তোলে।   “A man can be destroyed but not defeated” বিটোফেন বধির হয়ায় সেই কষ্ট, সে কষ্ট বয়ে বেরিয়েছেন বিটোফেন তাঁর তৈরি করা সুরে। তেমনি প্রত্যেক লেখকের জীবনেই আছে গভ